রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

চরভদ্রাসনে কীটনাশক খাইয়ে কৃষক হত্যা, চার আসামি গ্রেপ্তার

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে কীটনাশক খাইয়ে কৃষক হত্যা, চার আসামি গ্রেপ্তার
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে কীটনাশক খাইয়ে কৃষক ইউসুফ আলী শেখকে হত্যার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের চরঅমরাপুর গ্রামের সত্তার শেখের ছেলে শামীম হোসেন (২৫), মেয়ে ইয়াছমিন আক্তার (৩৪), পার্শ্ববর্তী ওকেল মাতুব্বরের ডাঙ্গী এলাকার আক্কাস মোল্যা (৬০) ও তাঁর ছেলে জুলহাস মোল্যা (৩৫)।
জানা গেছে, গত শনিবার সন্ধ্যায় চরঅমরাপুর গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী শেখকে (৫৫) নির্যাতনের পর কীটনাশক খাওয়ানোর অভিযোগ ওঠে। গতকাল সোমবার ভোরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে একটি ভিডিও বক্তব্যে তিনি নির্যাতনের বর্ণনা দেন এবং অভিযুক্ত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন।
তাঁর পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত শনিবার সন্ধ্যায় ইউসুফ আলী শেখকে পদ্মার চরে ডেকে নেন শামীম শেখ। সেখানে সাত থেকে আটজন মিলে তাঁকে মারধর করেন। একপর্যায়ে জোর করে তাঁর মুখে কীটনাশক ঢেলে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় বশির মেম্বারের বাড়ির পাশে ফেলে রেখে চলে যান তাঁরা। সেখান থেকে ইউসুফ আলীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনেরা। গতকাল ইউসুফ আলীর মৃত্যু হলে রাতেই তাঁর স্ত্রী সাতজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
নিহত ইউসুফ আলীর ভাই ইসমাইল শেখ বলেন, সম্প্রতি শামীম শেখের মা আসমা বেগম নিখোঁজ হন। এ নিয়ে থানায় ডায়েরি করে তাঁর পরিবার। গত এক মাস আগে কৃষক ইউসুফ শেখের মোবাইল থেকে নিখোঁজ আসমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁর মেয়ে ইয়াছমিন। এরপর তদন্তের স্বার্থে মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে ইউসুফ শেখের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ হয়। বিষয়টি জানতে পারেন শামীম শেখ। এরপর তিনি ইউসুফ শেখকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সফর আলী জানান, মামলার পর গতকাল রাতেই অভিযান চালিয়ে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ফরিদপুরে ৬৫ বছর বয়সী জলিল মোল্লা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট : প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৬৫ বছর বয়সী জলিল মোল্লা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ইসমাইল মুন্সির ডাঙ্গী এলাকার জলিল মোল্লা (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
নিখোঁজ জলিল মোল্লার বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। তিনি চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ইসমাইল মুন্সির ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা। তাঁর সন্ধান না পেয়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেয়ে থাকলে অথবা তাঁর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: ০১৯২৫-৮২৮৬২২
জলিল মোল্লার সন্ধান পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁর স্বজনরা।

ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের উদ্যোগে সমাজসেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় শহরের কোট পাড় ‘ ল কেয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট’ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ইমারত হোসেন চৌধুরীর নাতি রাফিদ চৌধুরী।
স্মরণসভায় বক্তারা মরহুমের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরী মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৭১ সালে ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সদালাপী, হাসিমুখে কথা বলা ও বন্ধুসুলভ একজন মানুষ ছিলেন। ফুলসতি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই কৃতি সন্তান আজীবন সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন এবং শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও কখনো জামায়াতে নামাজ আদায় করা মিস করতেন না।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণ করে ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু বলেন, “ইমারত হোসেন চৌধুরী কেবল একজন দেশপ্রেমিক যোদ্ধাই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের একজন কারিগর। তাঁর সততা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।”
ফুলসুতি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক, গবেষক প্রবীণসাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান চৌধিুরী ভাদু, । এ সময় মফিজ ইমাম মিলন, ,দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, , জি. এইচ লাভলু পাটোয়ারী, নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।
মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু, তৈবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, মফিজ ইমাম মিলন, লাভলু পাটোয়ারী জি. এইচ., নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসান।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।

“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

একদিকে বালুবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা ও শিশুসন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু, অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানি। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ফরিদপুরের একই মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ছয়টি প্রাণ।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। একই দিনে পরপর প্রাণহানির ঘটনায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সুমি বেগম (৩২) ও তাঁর ৭ বছরের ছেলে শাওন। এ ঘটনায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহর থেকে একটি বালুবাহী ট্রাক কানাইপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারটির একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
অন্যদিকে ইজিবাইকটি বালু ও ট্রাকের নিচে পুরোপুরি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বালু সরিয়ে ইজিবাইক থেকে তিনজনকে এবং ক্রেনের সাহায্যে ট্রাক সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে একজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক সুমি বেগম ও তাঁর ছেলে শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গুরুতর আহত পলাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর দুর্ঘটনায় বাসের কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি সেতু-সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রথমে তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের একজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চারজনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সে সাতজনের একটি দল ছিল। তাঁরা ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় অংশ নিতে ফরিদপুরে এসেছিলেন। সভা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।
নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১) রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁরা মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাঁদের একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে প্রথমে তিনজন ও শুনেছি পরে আরো একজন ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছে। এছাড়া প্রায় এক ঘন্টা পরে একই মহাসড়কে কানাইপুর তেতুলতলা নামকস্থানে একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা-ছেলে নিহত হয়েছে। দুই ঘটনার নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।