রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ডিবি হেফাজতে মৃত্যু: ১১ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
ডিবি হেফাজতে মৃত্যু: ১১ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরের আলোচিত ডিবি হেফাজতে প্রান্ত হত্যার ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা। এর আগে ২০ জুন, বিকেল ৫টার দিকে প্রান্তকে ফরিদপুর জেলার মধুখালীতে তার বাড়ি থেকে বের হতেই গোয়েন্দা শাখার একটি দল তার কাছ থেকে মাদক উদ্ধারের দাবি করে তাকে আটক করে। পরদিন সকালে ডিবি হেফাজতে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর পরই জেলা ব্যাপী আলোচনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এরপর পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, গত মাসে ফরিদপুরের পুলিশ ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের (ডিবি) হেফাজতে মারা যাওয়া আইন বিভাগের ছাত্র মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের বিরুদ্ধে আনা মাদকের অভিযোগগুলো সাজানো ছিল।
অভ্যন্তরীণ তদন্ত অনুযায়ী, ফরিদপুরের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মধুখালী চিনিকলের কর্মচারী প্রান্তকে তার পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টার অংশ হিসেবে ডিবি আটক করেছিল। তদন্ত কমিটি এই ঘটনায় তাদের আচরণের জন্য ফরিদপুর জেলা ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের ১১ জন সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। তারা হলেন ইন্সপেক্টর মো. আলমগীর হোসেন, সাব-ইন্সপেক্টর মো. আহাদুজ্জামান ও মোতাহার আলী, সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর মো. হাজিকুল ইসলাম, কনস্টেবল আবু সুফিয়ান, রাকিব মোল্লা, মনিরুজ্জামান, মো. রাকিবুল ইসলাম রিন্টু, ফরহাদ হোসেন মিয়া ও চম্পা হালদার এবং চালক মো. সবুজ মোল্লা।
এর আগে ২৭ বছর বয়সী প্রান্তকে ২০জুন ডিবি র একটি টিম মধুখালী তার বাড়ির সামনে থেকে মাদকসহ গ্রেপ্তার দেখায়। পরবর্তীতে ২১ জুন ডিবি হেফাজতে সে মারা যান। তবে একুশে জুন সকালে পরিবারের সদস্যরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রান্তর লাশ দেখতে পায়। এরপর তার মৃত্যুতে প্রতিবাদ শুরু হয় এবং পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তাকে ডিবি হেফাজতে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।
ইশতিয়াকের বিধবা মা খাদিজা আক্তার বলেন, ২০ জুন দিবাগত রাতে টাকার বিনিময়ে ইশতিয়াককে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার আত্মীয় সাথে ডিবি পুলিশের কথা হয়। এ সময় ডিবি পুলিশ জানায় এ ছেলেকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজনে সকালে টাকা পয়সা নিয়ে ফরিদপুর আসেন। সেই মোতাবেক খাদিজা আক্তার সকালে গিয়ে তার ছেলের লাশ দেখতে পান। তিনি এই হত্যার কান্ডের ন্যায্য বিচার চান।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী মঙ্গলবার ( ৪ আগস্ট) বিকেলে সাংবাদিকদের বলেন, আভ্যন্তরীণ তদন্তের আলোকে ওসিসহ ডিবি পুলিশের ১১জন সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেই আলোকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার ইতোমধ্যে প্রতিবেদনসহ এ সুপারিশপত্র পুলিশের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওসিসহ ডিবি পুলিশের ১১জন সদস্যের সকলকেই পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

ফরিদপুরে ৬৫ বছর বয়সী জলিল মোল্লা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট : প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৬৫ বছর বয়সী জলিল মোল্লা নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ইসমাইল মুন্সির ডাঙ্গী এলাকার জলিল মোল্লা (৬৫) নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
নিখোঁজ জলিল মোল্লার বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর। তিনি চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ইসমাইল মুন্সির ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা। তাঁর সন্ধান না পেয়ে স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
কোনো সহৃদয় ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেয়ে থাকলে অথবা তাঁর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে নিচের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
যোগাযোগ: ০১৯২৫-৮২৮৬২২
জলিল মোল্লার সন্ধান পেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁর স্বজনরা।

ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের উদ্যোগে সমাজসেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় শহরের কোট পাড় ‘ ল কেয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট’ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ইমারত হোসেন চৌধুরীর নাতি রাফিদ চৌধুরী।
স্মরণসভায় বক্তারা মরহুমের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরী মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৭১ সালে ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সদালাপী, হাসিমুখে কথা বলা ও বন্ধুসুলভ একজন মানুষ ছিলেন। ফুলসতি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই কৃতি সন্তান আজীবন সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন এবং শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও কখনো জামায়াতে নামাজ আদায় করা মিস করতেন না।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণ করে ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু বলেন, “ইমারত হোসেন চৌধুরী কেবল একজন দেশপ্রেমিক যোদ্ধাই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের একজন কারিগর। তাঁর সততা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।”
ফুলসুতি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক, গবেষক প্রবীণসাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান চৌধিুরী ভাদু, । এ সময় মফিজ ইমাম মিলন, ,দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, , জি. এইচ লাভলু পাটোয়ারী, নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।
মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু, তৈবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, মফিজ ইমাম মিলন, লাভলু পাটোয়ারী জি. এইচ., নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসান।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।

“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

একদিকে বালুবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা ও শিশুসন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু, অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানি। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ফরিদপুরের একই মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ছয়টি প্রাণ।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। একই দিনে পরপর প্রাণহানির ঘটনায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সুমি বেগম (৩২) ও তাঁর ৭ বছরের ছেলে শাওন। এ ঘটনায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহর থেকে একটি বালুবাহী ট্রাক কানাইপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারটির একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
অন্যদিকে ইজিবাইকটি বালু ও ট্রাকের নিচে পুরোপুরি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বালু সরিয়ে ইজিবাইক থেকে তিনজনকে এবং ক্রেনের সাহায্যে ট্রাক সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে একজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক সুমি বেগম ও তাঁর ছেলে শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গুরুতর আহত পলাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর দুর্ঘটনায় বাসের কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি সেতু-সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রথমে তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের একজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চারজনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সে সাতজনের একটি দল ছিল। তাঁরা ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় অংশ নিতে ফরিদপুরে এসেছিলেন। সভা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।
নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১) রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁরা মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাঁদের একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে প্রথমে তিনজন ও শুনেছি পরে আরো একজন ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছে। এছাড়া প্রায় এক ঘন্টা পরে একই মহাসড়কে কানাইপুর তেতুলতলা নামকস্থানে একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা-ছেলে নিহত হয়েছে। দুই ঘটনার নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।