মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ফরিদপুর পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডে পলিথিন ও বর্জ্যের উন্মুক্ত ভাগাড়: দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কয়েকশ পরিবার

আবু সাঈম খান, ফরিদপুর: প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডে পলিথিন ও বর্জ্যের উন্মুক্ত ভাগাড়: দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কয়েকশ পরিবার
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ারলেস পাড়া এলাকায় যত্রতত্র প্লাস্টিক-পলিথিন ফেলা এবং সামান্য বৃষ্টিতেই তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েকশত পরিবারের মানুষ। এলাকার সাবেক কাউন্সিলর আনিসুর রহমান চৌধুরী সাবুলের বাসার সামনে সড়কের পাশের ফাঁকা জমিটি যত্রতত্র ফেলা গৃহস্থালি বর্জ্যের এক বিশাল উন্মুক্ত ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই বিশাল ময়লার স্তূপ পরিষ্কার না করায় পরিস্থিতি এখন অনিয়ন্ত্রিত ও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার জন্য স্থানীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এক শ্রেণির বাসিন্দা নিয়মিত এখানে প্লাস্টিক বোতল, চিপসের প্যাকেট ও ক্ষতিকর পলিথিন বর্জ্য ফেলে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই বর্জ্য জমে পচতে থাকায় পুরো এলাকায় তীব্র ও অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে।
ভোগান্তির এখানেই শেষ নয়, রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই সেখানে নোংরা পানি জমে ডোবার মতো আকার ধারণ করে কাদার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লার বিষাক্ত ও গন্ধযুক্ত পানি এই বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন এলাকার শত শত মানুষকে বাধ্য হয়ে এই বিষাক্ত নোংরা পানি ও কাদা মাড়িয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই স্যাঁতসেঁতে ও নোংরা অবস্থা চলতে থাকায় পুরো এলাকায় মশা, মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে এই নোংরা পরিবেশের কারণে ডায়রিয়া, জন্ডিস, টাইফয়েড ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের চরম আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে, দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচলের অবসানসহ জরুরি ভিত্তিতে এই দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা অপসারণের জন্য ফরিদপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

“ফরিদপুরে শুদ্ধি অভিযান” লাইসেন্সহীন-অনিয়মে বন্ধ ৫ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
“ফরিদপুরে শুদ্ধি অভিযান” লাইসেন্সহীন-অনিয়মে বন্ধ ৫ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার

নানা অনিয়ম, লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ফরিদপুরে একদিনেই পাঁচটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালিত এই অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি রোগীদের সরকারি কিংবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনের এলাকায় সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুর রহমান ও নাজমা নাইম, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বজলুর রশীদসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে আল-জারা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, মেডিকো হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, লিলি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হলি সিটি প্রাইভেট হাসপাতাল এবং মা-মনি ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা, লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলেও নবায়ন না করা, প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করা এবং স্বাস্থ্যসেবায় গুরুতর অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযানে এসব অভিযোগের সত্যতা মিললে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে চিকিৎসাধীন রোগীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অথবা অন্য উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাতে কোনো রোগীর চিকিৎসা ব্যাহত না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা একটি সংবেদনশীল খাত। মানুষের জীবন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবহেলা মেনে নেওয়া হবে না। যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ছাড়া কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানুষের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে লাইসেন্সবিহীন কার্যক্রম, জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে অভিযোগ আসছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ অভিযান জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পর্যায়ক্রমে চালানো হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারবে না, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ফরিদপুরে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা

আবু সাঈম খান প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা

ফরিদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যমান সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ৪ আগস্ট ) বিকালে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের হলরুমে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী
সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, সড়কে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা জেলা পুলিশের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইনের কঠোর বাস্তবায়ন এবং চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে সড়কে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, অবৈধ যানবাহন চলাচল এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে পুলিশ সদস্যদের কঠোর ভূমিকা রাখার নির্দেশনা দেন।
মতবিনিময় সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ফরিদপুরের স্থানীয় পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনরা ফরিদপুর জেলার সড়ক ও পরিবহনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং তা নিরসনে জেলা পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধির পিতার ইন্তেকাল

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধির পিতার ইন্তেকাল

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম হোসাইনের পিতা মো : আক্তার হোসেন আজ সোমবার (৩আগষ্ট) সন্ধ্যা ছয়টায় তার নিজ বাসভবন বোয়ালমারী উপজেলার ফেলান নগর গ্রামে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি দীর্ঘদিন যাবত আর্থাইটিস রোগ সহ বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র এবং ৪ কন্যা সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বোয়ালমারী উপজেলার কুমার নগর চন্দ্রনা কবরস্থান প্রাঙ্গনে অনুষ্টিত হবে।পরে চন্দ্রনা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি ইব্রাহিম হোসাইনের পিতা মো : আক্তার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল।এক শোক বিবৃতিতে তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।