বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ছরোয়ার হোসেনের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে জড়ো হন। পরে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ যাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

ফরিদপুরে এ.এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি ও স্পেশাল মেরিট এওয়ার্ড প্রদান

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে এ.এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি ও স্পেশাল মেরিট এওয়ার্ড প্রদান

ফরিদপুরের গেরদা আবুল ফয়েজ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এ.এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মেধাবৃত্তি ও ‘স্পেশাল মেরিট এওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। আজ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (বুধবার) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে এই বৃত্তি ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
চলতি বছর ৯ম ও ১০ম শ্রেণির ৮ জন শিক্ষার্থীকে সাধারণ মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি এসএসসি ২০২৬ ও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এ অনন্য কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনের জন্য বিশেষ ‘স্পেশাল মেরিট এওয়ার্ড’ দেওয়া হয়।
পুরস্কারের বিবরণী অনুযায়ী, ৯ম ও ১০ম শ্রেণির মনোনীত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৩,০০০ টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়। এছাড়া এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫.০০ প্রাপ্ত কৃতী ছাত্র লাবিদ হাসানকে ১০,০০০ টাকা এবং প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনকারী আয়েশা মর্তুজাকে ৫,০০০ টাকার বিশেষ পুরস্কার ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন এ.এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত প্রতিনিধি লোনা টি. রহমান, গেরদা আবুল ফয়েজ মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম এবং গেরদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্পনা সরকারসহ উপস্থিত শিক্ষক মণ্ডলী।
ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক মাহফুজুল আলম জানান, ১৯৮৭ সাল থেকে অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে এই বিদ্যালয়ের নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়মিত এই বৃত্তি প্রদান করা হয়ে আসছে। শুধু মাধ্যমিক পর্যায়ই নয়, এই বিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের স্নাতক (অনার্স) পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনার জন্য এ.এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশন বৃত্তির সুবিধা দিয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, ফরিদপুরের গেরদা গ্রামে জন্মগ্রহণকারী, অবিভক্ত ভারতের প্রথম বাঙালি মুসলিম আইসিএস (ICS) অফিসার আবুল ফয়েজ মুজিবুর রহমানের পরিবার ১৯৮৫ সাল থেকে বাংলাদেশে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রেখে আসছে। এই মহতী উদ্যোগের অংশ হিসেবেই প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এই বৃত্তির আয়োজন করা হয়।

ফরিদপুরে শেখ ইউসুফ আলী হ*ত্যার আসামিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান।

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে শেখ ইউসুফ আলী হ*ত্যার আসামিদের  গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে শেখ ইউসুফ আলী (৫৫) হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসক ও এসপি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন নিহতের পরিবার, এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকরা।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১ আগস্ট চরভদ্রাসনের চরঅমরাপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ আলী শেখকে ডেকে নিয়ে দুর্গম চর এলাকায় নির্যাতনের পর বিষপান করানোর অভিযোগ ওঠে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৩ আগস্ট ভোররাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কয়েক ঘন্টা আগে এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি তাকে হত্যায় জড়িতদের নাম উল্লেখ করে একটি ভিডিও বার্তা রেখে যান ।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ইতোমধ্যে এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে মামলার অপর আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ থাকা এক নারী নিখোঁজ রয়েছেন উল্লেখ করে তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার এবং তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দীর্ঘসূত্রতা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা জামিনে মুক্ত হলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম প্রভাবিত বা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিষয়ে আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং নিহতের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ফরিদপুরে ৬০ বছরের জাবেদা বেগম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

এম এইচ সুজন মাহমুদ: স্টাফ রিপোর্টার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৬০ বছরের জাবেদা বেগম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার

ফরিদপুর সদর উপজেলার সাদিপুর গ্রামের জাবেদা বেগম (৬০) নিখোঁজ হয়েছেন। গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার পর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিখোঁজ জাবেদা বেগমের পরনে কাপড় ছিল। তাঁর পায়ে কোনো জুতা বা স্যান্ডেল ছিল না। মাথার চুল কাঁচাপাকা এবং গায়ের রং ফর্সা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁর সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি জাবেদা বেগমের সন্ধান পেয়ে থাকলে নিচের নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।
যোগাযোগ:
০১৭৯৩-৬৮৮১৮১
০১৭৩৬-৭৯৮০০৪