মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

চর মাধবদিয়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত

তানভীর রহমান নাহিদ, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
চর মাধবদিয়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
  1. ফরিদপুরের চর মাধবদিয়ায় প্রাইম মিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

    খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম. মোফাজ্জেল হোসেন, মোহন মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সায়েম মোল্লা, মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এমদাদুল হক খান, সিনিয়র শিক্ষক সারোয়ার হোসেন মিয়া, সহকারী শিক্ষক আব্দুর জব্বার, আলমাস হোসেন, মুহাম্মদ ফরহাদ মিয়া, আব্দুল আলিম, কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, উজ্জ্বল হোসেন, সাগর কুন্ডুসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।

খেলায় মুখোমুখি হয় মাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও মোহন মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। ক্রীড়া অনুরাগী তানভীর রহমান নাহিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে উভয় দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেললেও নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে খেলাটি ০-০ গোলে ড্র হয়।

খেলাকে ঘিরে মাঠে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দুই দলের খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে ম্যাচটি উপভোগ করেন উপস্থিত দর্শকরা।

সালথায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আলোচনা সভা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
সালথায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আলোচনা সভা

মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা” এই প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে ফরিদপুরের সালথায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহাঃ তাশেম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিন।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মোল্যা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপার ভাইজার ইতি গোস্বামী, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান, হাফিজুর রহমান, সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা মানে শুধু নিজের নাম সই করার দক্ষতা নয়। সাক্ষরতা হলো মানুষের চিন্তা করার, নতুন কিছু সৃষ্টি করার এবং নিজের জীবনকে বদলে ফেলার মূল চাবিকাঠি। শিক্ষা মানুষকে অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে এবং সমাজে সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।

আল আমিন সরোয়ারের নেতৃত্বেই ২ বছর পর চালু হলো মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওটি

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
আল আমিন সরোয়ারের নেতৃত্বেই  ২ বছর পর চালু হলো মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওটি

দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও প্রাণ ফিরেছে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি)। সীমিত পরিসরে ওটি চালুর প্রথম দিনেই সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এক দরিদ্র প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন। এর মধ্য দিয়ে এ উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।মঙ্গলবার সকালে পূর্ণ গর্ভকাল শেষে জটিলতা নিয়ে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন উপজেলার গোন্দারদিয়া গ্রামের মো. জাকিরের মেয়ে মোসাম্মৎ জান্নাতি (১৮)। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রসূতির প্রসবজনিত জটিলতা শনাক্ত করেন। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।”


বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে জরুরি ভিত্তিতে জান্নাতির সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়। তবে সফলভাবে অপারেশন শেষ হওয়ার পর জন্ম নেয় একটি সুস্থ নবজাতক। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
অপারেশনটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন চিকিৎসক ডা. সৌরিয়া সুলতানা। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেন ডা. শাহবাজ খান। অপারেশন থিয়েটারের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ওটি ইনচার্জ ফারজানা আহাম্মেদ চৈতি।
দীর্ঘ সময় পর অপারেশন থিয়েটার চালু হওয়া এবং প্রথম দিনেই সফলভাবে সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেবার ক্ষেত্রে নতুন করে আস্থা তৈরি হবে এবং স্থানীয় রোগীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।


অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর সরকারি হাসপাতালেই অস্ত্রোপচারের সুযোগ পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ধরনের সেবা চালু হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছে। এতে জটিল প্রসূতিদের দ্রুত চিকিৎসার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নাতনি ও নবজাতককে সুস্থ দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে  জান্নাতির দাদী সুফিয়া বেগম   বলেন, “আমরা খুবই গরিব মানুষ। নাতনিকে নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। কোথায় যাব, কীভাবে চিকিৎসার খরচ দেব—এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু এই হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আমাদের অনেক ভরসা হয়েছে। এখানে সুন্দরভাবে চিকিৎসা পেয়েছি, অপারেশনও সফল হয়েছে। এখন আমার নাতনি ও তার সন্তান দুজনেই ভালো আছে—এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে আমার !”
স্থানীয়রা মনে করেন, “এতদিন পর এই হাসপাতালে আবার অপারেশন চালু হয়েছে, এটা আমাদের মতো সাধারণ ও অসচ্ছল মানুষের জন্য অনেক বড় পাওয়া। বাইরে গিয়ে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য আমাদের নেই। এই হাসপাতালেই যদি এভাবে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যায়, তাহলে এলাকার গরিব মানুষের অনেক উপকার হবে।


দীর্ঘ সময় পর মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওটি চালুর বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আল আমিন সারোয়ার বলেন, “স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওটি সীমিত পরিসরে পুনরায় চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে একটি নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো। মা ও শিশু দুজনকেই বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন,“ভবিষ্যতে যদি হাসপাতালে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ এবং একজন অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা যায়, তাহলে নিয়মিতভাবেই এই সেবা চালু রাখা সম্ভব হবে। এতে মধুখালীসহ আশপাশের এলাকার অসংখ্য প্রসূতি ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।”

ফরিদপুরের শিক্ষা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের শিক্ষা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু

ফরিদপুরের শিক্ষা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন সংযোজনে ‘ফরিদপুর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের’ (ইংরেজি ভার্সন) যাত্রা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালনায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন, মানসম্মত ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সরকারের শিক্ষা বিস্তার নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


আজ মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন অধ্যক্ষ লেফট্যানেন্ট কর্ণেল আখতার উস সামাদ রাফি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রতিষ্ঠানটির কর্মপরিকল্পনা, শিক্ষা ব্যবস্থা, ভর্তি পদ্ধতি সহ বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলা শহরের রঘুনন্দনপুর এলাকায় ১৮ একর জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো। যার ভিত্তিপ্রস্তর ২০২৫ সালের ১ মে স্থাপন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। পরবর্তীতে নির্মাণ কাজ শেষে চলতি বছরের ২৩ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান। একইদিনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আর্থ সামাজিক বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরিন জাহান এবং আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) ডঃ শাহ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন। এছাড়া ২৪ এপ্রিল থেকে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১২ ও ১৪ আগস্ট থেকে প্রথমবারের মত ৮ম ও ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটি আবাসিকভাবে অবস্থান ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছেন।


সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ বলেন- ”মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল খুলনা ও অন্যান্য ক্যাডেট কলেজের ন্যায় এখানকার পাঠ্যক্রম ও দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এখানে ক্যাডেটদের জন্য রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ক্লাসরুম, লাইব্রেরী, ল্যাবরুম, মাল্টিপারপাস হল, পরিচ্ছন্ন ডাইনিং হল ও খাবারের ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত আবাসিক হাউস।’
তিনি বলেন- ‘প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, অলিম্পিয়াড এ অংশগ্রহণের জন্য দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া তাঁদের মেধা, আগ্রহ ও যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি প্রশাসন, চিকিৎসা, প্রকৌশল, আইন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসাবাণিজ্য, ব্যাংকিং, গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পাবে। বিশেষ করে সামরিক অফিসার পদে আগ্রহী ক্যাডেটদের জন্য সরাসরি আইএসএসবিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ক্যাডেটদের সার্বিক বিকাশে শিল্প ও সৃজনশীল কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। চিত্রাঙ্কন, চারুকলা, কারুশিল্প, সংগীত, আবৃত্তি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফটোগ্রাফিসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকান্ডের মাধ্যমে তাঁদের নান্দনিক বোধ, কল্পনাশক্তি, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ও আত্মপ্রকাশের দক্ষতা বিকশিত হবে।’
এ প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে ফরিদপুরে শিক্ষা ও আর্থসমাাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন৷ তিনি বলেন- ‘প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে কর্মসংস্থান, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ ও বিভিন্ন সেবা খাতের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সর্বোপরি, এমসিএসএফ এর মাধ্যমে এমন একটি নতুন প্রজন্ম তৈরী হবে, যারা ভবিষ্যতে ফরিদপুর তথা বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।’
এ সময় প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি পদ্ধতি তুলে ধরা হয়। যেখানে সকল শ্রেণিপেশার মানুষের সন্তানেরা একই পদ্ধতিতে ভর্তি করা হবে বলে জানান। লিখিত, স্বাস্থ্য ও মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে মেধাতালিকা ক্রমান্বয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীতে ভর্তি ফি সহ ২০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগ পাবেন তাঁরা।
এই কর্মকর্তা বলেন- ‘এখানে সেনাবাহিনীর সন্তানদের পাশাপাশি সর্বস্তরের সন্তানেরা একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এছাড়া ২০২৮ সাল থেকে বালিকা শাখা চালু হবে তিনি জানান।
এ সময় প্রতিষ্ঠানটির এডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন শেখ নাহিদ হাসান প্রত্যয়, ও মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষকগণ।
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুব হোসেন পিয়াল সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।