সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

চার বছরেও সংস্কার নেই, সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়কে দুর্ভোগ চরমে

সালথা প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
চার বছরেও সংস্কার নেই, সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়কে দুর্ভোগ চরমে
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চার বছর ধরে সংস্কারের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার সোনাপুর-ময়েনদিয়া সড়ক। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে পিচ ও খোয়া, সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্তে জমছে পানি ও কাঁদা। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহন ও পথচারীদের। সড়কের এমন দুরবস্থায় ক্ষোভ ও দুর্ভোগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।
সোমবার (৩০ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও গর্ত এতটাই গভীর ও প্রশস্ত যে, সেসব স্থান দিয়ে যানবাহন চলাচল করাই কঠিন। বিশেষ করে যোগারদিয়া বটতলা মেইন রোডসংলগ্ন অংশের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহন কখনো সড়কের এক পাশ, আবার কখনো মাঝপথ দিয়ে চলাচল করছে। এতে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। গর্তে পানি ও কাদা জমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো পানির নিচে চলে যায়। ফলে কোনটি সড়ক আর কোনটি গর্ত তা বোঝার উপায় থাকে না। এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন মোটরসাইকেল চালকরা। পানিতে ঢাকা গর্তে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সালথা উপজেলার সোনাপুর ও পাশের বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া এলাকার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। দুই উপজেলাকে সংযুক্ত করা প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। তবে সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ভারী ও বড় যানবাহনের চলাচল অনেকটাই কমে গেছে।
সড়কের পাশে রয়েছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কৃষক ও ব্যবসায়ীদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সড়কটি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় পণ্য পরিবহনে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে। জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলেও তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা।
সড়কে চলাচলকারী পাট ব্যবসায়ী আজিজাল মোল্যা, সেকেন্দার মাস্টার ও ব্যবসায়ী মো. রাজিব হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় এখন এটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। বৃষ্টি হলেই গর্তে পানি জমে যায়। তখন রাস্তা ও গর্ত আলাদা করে বোঝা যায় না। প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
তারা বলেন, সড়কের দুরবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সড়কটি সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে সালথা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া বলেন, সড়কটি প্রশস্ত করার জন্য নতুন একটি প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হলে সড়কটির উন্নয়নকাজ করা হবে।
সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বলেন, সড়কটির সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে দ্রুত উন্নয়নকাজ শুরু করা হবে।

ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

এম এইচ সুজন মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ফরিদপুর সদরের ১২ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া মসজিদ সংলগ্ন ফকির বাড়ির শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি অত্র মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ধোপাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আকরাম মাস্টারের পিতা মোঃ রতন ফকির আজ ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকায় তাঁর জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দখলে থাকা পৈত্রিক ১১ শতাংশ জমি উদ্ধারের দাবি করেছেন আক্কাস আলী খান (৫০) নামে এক ব্যক্তি। গত ১ সেপ্টেম্বর জমিটি দখলমুক্ত করে সেখানে বসতভিটা নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি।
আক্কাস আলী খানের দাবি, ১৯৭২ সালে তার বাবা উসমান গণি খান ও চাচা জালাল উদ্দিন খান ৯৫৭৭ নম্বর দলিলমূলে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে এসএ ও দিয়ারা মিউটেশনের মাধ্যমে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তারা। এর মধ্যে ১১ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন নান্নু মুন্সি (৪০) ও তার লোকজন দখলে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ।
আক্কাসের দাবি, নান্নু মুন্সির দেখানো দলিলে থাকা দাগের সঙ্গে তাদের ক্রয়কৃত জমির দাগের কোনো মিল নেই। সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলিলপত্র বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করে তারা জমিটি নিজেদের দখলে নেন।
এদিকে জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে নান্নু মুন্সি চরভদ্রাসন থানায় অভিযোগ করেছেন। থানার এসআই আব্দুল করিম জানান, উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হলেও বাদী পক্ষ এখনও বসেনি।
নান্নু মুন্সি দাবি করেন, শহিদুল ইসলাম মোল্যা ও শাহাদাত মৃধা জমিটি কেনার কথা বলে পরে সরে যাওয়ায় তাদের নামসহ থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে শহিদুল ও শাহাদাতের দাবি, কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি নান্নু মুন্সিদের নয় বলে তারা কেনেননি।
জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।চাইলে এর জন্য আরও চমকপ্রদ ৫টি শিরোনামও দিতে পারি।

মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে রাজু নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাজুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
​শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানূর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজু মোল্লা উপজেলার ধুলজুড়ী গ্রামের পিয়ার মোল্লা ও চায়না বেগম দম্পতির ছেলে।
​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজু মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর ফলে স্থানীয় যুবসমাজ ও তাঁর নিজের পরিবার চরম ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাঁকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
​মাদকের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।