সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

এক মিনিটে পড়ুন: বিড়াল কতদিন বাঁচে?

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
এক মিনিটে পড়ুন: বিড়াল কতদিন বাঁচে?
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

যদি একটি বিড়াল ২১ বছর পর্যন্ত পৌঁছায়, তাহলে বুঝতে হবে মানুষ হলে সে শতবর্ষী হতো!
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, একটি গড়পড়তা বিড়াল মাত্র ১৪ বছর বাঁচতে পারে, যা মানুষের ৭০ বছর বয়সের সমতুল্য। বিড়ালরা জন্মের পর দ্রুত বাড়তে থাকে, কিন্তু বার্ধক্যে উপনীত হয়ে তারা ধীরগতির হয়ে পড়ে।
৩ থেকে ৬ বছরের মধ্যে বিড়ালরা তাদের জীবনের প্রাইম সময় কাটায়। এ সময়ই তাদের শারীরিক সক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। এই বয়সকালটা মানুষের ২৪ থেকে ৪০ বছরের সমতুল্য।
৭ থেকে ১০ বছর বয়সের দিকে বিড়ালের শরীরে বার্ধক্য নামতে থাকে। এ সময় তাদের চলাফেরা, নড়াচড়ার গতি হ্রাস পায়, আর বেড়ে যায় তাদের ওজন। পুরোপুরি বার্ধক্য যখন গ্রাস করে, তখন অনেক বেশি বিশ্রামের প্রয়োজন পড়ে তাদের।
যদি একটি বিড়াল ২১ বছর পর্যন্ত পৌঁছায়, তাহলে বুঝতে হবে মানুষ হলে সে শতবর্ষী হতো!

ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

এম এইচ সুজন মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ফরিদপুর সদরের ১২ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া মসজিদ সংলগ্ন ফকির বাড়ির শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি অত্র মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ধোপাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আকরাম মাস্টারের পিতা মোঃ রতন ফকির আজ ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকায় তাঁর জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দখলে থাকা পৈত্রিক ১১ শতাংশ জমি উদ্ধারের দাবি করেছেন আক্কাস আলী খান (৫০) নামে এক ব্যক্তি। গত ১ সেপ্টেম্বর জমিটি দখলমুক্ত করে সেখানে বসতভিটা নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি।
আক্কাস আলী খানের দাবি, ১৯৭২ সালে তার বাবা উসমান গণি খান ও চাচা জালাল উদ্দিন খান ৯৫৭৭ নম্বর দলিলমূলে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে এসএ ও দিয়ারা মিউটেশনের মাধ্যমে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তারা। এর মধ্যে ১১ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন নান্নু মুন্সি (৪০) ও তার লোকজন দখলে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ।
আক্কাসের দাবি, নান্নু মুন্সির দেখানো দলিলে থাকা দাগের সঙ্গে তাদের ক্রয়কৃত জমির দাগের কোনো মিল নেই। সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলিলপত্র বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করে তারা জমিটি নিজেদের দখলে নেন।
এদিকে জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে নান্নু মুন্সি চরভদ্রাসন থানায় অভিযোগ করেছেন। থানার এসআই আব্দুল করিম জানান, উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হলেও বাদী পক্ষ এখনও বসেনি।
নান্নু মুন্সি দাবি করেন, শহিদুল ইসলাম মোল্যা ও শাহাদাত মৃধা জমিটি কেনার কথা বলে পরে সরে যাওয়ায় তাদের নামসহ থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে শহিদুল ও শাহাদাতের দাবি, কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি নান্নু মুন্সিদের নয় বলে তারা কেনেননি।
জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।চাইলে এর জন্য আরও চমকপ্রদ ৫টি শিরোনামও দিতে পারি।

মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে রাজু নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাজুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
​শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানূর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজু মোল্লা উপজেলার ধুলজুড়ী গ্রামের পিয়ার মোল্লা ও চায়না বেগম দম্পতির ছেলে।
​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজু মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর ফলে স্থানীয় যুবসমাজ ও তাঁর নিজের পরিবার চরম ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাঁকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
​মাদকের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।