রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

ফরিদপুরে চায়না দুয়ারিতে সয়লাব, অভিযানে নেই গতি—প্রশ্নের মুখে মৎস্য বিভাগ

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চায়না দুয়ারিতে সয়লাব, অভিযানে নেই গতি—প্রশ্নের মুখে মৎস্য বিভাগ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরের বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয়ে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’র অবাধ ব্যবহার দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে চলেছে। জেলার সদর, সালথা, নগরকান্দা, বোয়ালমারী, সদরপুর, চরভদ্রাসন, ভাঙ্গা ও আলফাডাঙ্গাসহ প্রায় সব উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাছ ধরার এই নিষিদ্ধ ফাঁদের বিস্তার ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এসব চায়না দুয়ারি বসিয়ে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ নির্বিচারে শিকার করা হলেও মৎস্য বিভাগের দৃশ্যমান অভিযান খুব একটা চোখে পড়ে না। ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন খাল, বিল ও নদীর শাখা-প্রশাখায় বাঁশ, জাল ও প্লাস্টিকের জাল দিয়ে তৈরি চায়না দুয়ারি বসানো হয়েছে। পানির প্রবাহের মুখে এসব ফাঁদ স্থাপন করায় ছোট পোনা থেকে শুরু করে ডিমওয়ালা মা মাছ পর্যন্ত আটকা পড়ছে। এতে প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা হৃদয় মোল্যা বলেন, “এ বছর মৎস্য বিভাগকে চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালাতে দেখিনি। নদী-খালে অসংখ্য চায়না দুয়ারি বসানো হয়েছে। এগুলো না সরালে কয়েক বছরের মধ্যে দেশীয় মাছ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।”
সালথা উপজেলার রহিম শেখ বলেন, “আগে বর্ষা মৌসুমে খাল-বিলে জাল ফেললেই নানা প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এখন চায়না দুয়ারির কারণে মাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। প্রশাসনের আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন।”
নগরকান্দা উপজেলার আব্দুল জলিলের ভাষ্য, “অনেক সময় প্রকাশ্যেই চায়না দুয়ারি বসানো হয়। স্থানীয় লোকজন জানালেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। নিয়মিত অভিযান হলে এভাবে কেউ নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার করতে সাহস পেত না।”
বোয়ালমারী উপজেলার হায়দার মাতুব্বর বলেন, “চায়না দুয়ারি শুধু বড় মাছ নয়, ছোট পোনা পর্যন্ত ধরে ফেলে। এতে ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন ভয়াবহভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
ভাঙ্গা উপজেলার কায়সার খাঁন বলেন, “সরকার প্রতি বছর মাছের উৎপাদন বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেয়। কিন্তু চায়না দুয়ারির মতো নিষিদ্ধ ফাঁদ বন্ধ করা না গেলে সেই উদ্যোগের সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।”
আলফাডাঙ্গা উপজেলার কেরামত আলী বলেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে শুধু অভিযান চালালেই হবে না, যারা বারবার এই ফাঁদ ব্যবহার করছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”
চরভদ্রাসন উপজেলার প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকর্মী আবদুস সবুর কাজল বলেন, “চায়না দুয়ারি এখন ফরিদপুরের নদী-নালা ও খাল-বিলের জন্য নীরব দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। এই অবৈধ ফাঁদে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ, এমনকি রেণুপোনা ও ডিমওয়ালা মা মাছও ধরা পড়ছে। ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে নয়, নিয়মিত মনিটরিং, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে এ অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় আগামী প্রজন্ম দেশীয় মাছের অনেক প্রজাতি শুধু বইয়ের পাতাতেই দেখতে পাবে।”
মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়না দুয়ারি এমন একটি স্থায়ী ফাঁদ, যা পানির প্রবাহের মুখে বসানো হয়। এতে বড় মাছের পাশাপাশি রেণুপোনা, কিশোর মাছ এবং ডিমওয়ালা মা মাছও আটকা পড়ে। ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন চক্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের ফাঁদ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মৎস্য সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ জাল ও ফাঁদ ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে জরিমানা, জেল অথবা উভয় ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। তারপরও সহজে বেশি মাছ ধরার আশায় অনেকেই এই অবৈধ পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।
ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি বালা বলেন, “শুধু অভিযান চালিয়ে চায়না দুয়ারি নির্মূল করা সম্ভব নয়। প্রথমেই এসব চায়না দুয়ারি কোথায় তৈরি ও সরবরাহ হচ্ছে, সেই উৎস চিহ্নিত করে উৎপাদন ও বিপণন বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে কিছু দুয়ারি জব্দ বা ধ্বংস করলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। গত পাঁচ বছরে ফরিদপুরে চায়না দুয়ারির ব্যবহার ভয়াবহভাবে বেড়েছে। দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে আরও কঠোর ও নিয়মিত পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ এবং সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”*
ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সাংবাদিক হাসানউজ্জামান বলেন, শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মৎস্যজীবী সংগঠন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফাঁদের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতাও গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশীয় মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে নিয়মিত ও দৃশ্যমান অভিযান নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো গেলে ফরিদপুরের নদী-নালা ও খাল-বিলে আবারও দেশীয় মাছের প্রাচুর্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তাইতো, জীববৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদকে রক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান বলেন, “আমরা চায়না দুয়ারির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ফাঁদ অপসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে। কেউ নিষিদ্ধ ফাঁদ ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন

ফরিদপুরের সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন ‘সুজন সংঘের আয়োজনে , বাখুন্ডায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। “ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল” এবং “এরই নাম ফুটবল” স্লোগানকে সামনে রেখে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ফিতা কাটা ও বেলুন উড়িয়ে এবং স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে খেলাটির জমকালো উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। সুজন সংঘের আয়োজনে শুরু হওয়া এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে সর্বমোট ১৬টি শক্তিশালী দল অংশ নিচ্ছে।
উদ্বোধনী দিনের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামে কৈজুরী একাডেমি বনাম ফুলসুতী একাডেমি। দুপুরের পর থেকেই খেলা দেখার জন্য স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী ও উৎসুক দর্শকের ঢল নামে সুজন সংঘ মিনি স্টেডিয়ামে।
টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “ফরিদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের স্মৃতিকে ধরে রাখতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।” এ সময় তিনি মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং সমাজ বিনির্মাণে তাঁর সততা ও কর্তব্যের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিগুলো শ্রদ্ধাভরে তুলে ধরেন।
একই সাথে তিনি খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই টুর্নামেন্ট থেকে যারা ভালো ফলাফল ও নৈপুণ্য প্রদর্শন করবে, তাদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে। তৃণমূলের মেধাবী ফুটবলারদের তুলে আনতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খেলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক এবং সুজন সংঘের সভাপতি শাহ শফিকুল আলম (রানু মিয়া) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
উদ্বোধনী ম্যাচটি উপভোগ করতে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা ও সংহতি প্রকাশ করেছেন গেরদা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান মৃধা রাশেদ এবং গেরদা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, তরুণ সমাজকে মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারার ক্রীড়ামুখী করতেই এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন। ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত একটি সফল ও সার্থক টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিরা।

ফরিদপুরে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো উদ্বোধন

ফরিদপুরের সুজন সংঘ উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম, বাখুন্ডায় অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে ‘চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ স্মৃতি গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। “ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল” এবং “এরই নাম ফুটবল” স্লোগানকে সামনে রেখে আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ফিতা কাটা ও বেলুন উড়িয়ে এবং স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে খেলাটির জমকালো উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। সুজন সংঘের আয়োজনে শুরু হওয়া এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে সর্বমোট ১৬টি শক্তিশালী দল অংশ নিচ্ছে।
উদ্বোধনী দিনের হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামে কৈজুরী একাডেমি বনাম ফুলসুতী একাডেমি। দুপুরের পর থেকেই খেলা দেখার জন্য স্থানীয় ফুটবলপ্রেমী ও উৎসুক দর্শকের ঢল নামে সুজন সংঘ মিনি স্টেডিয়ামে।
টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “ফরিদপুরের মাটি ও মানুষের নেতা চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের স্মৃতিকে ধরে রাখতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।” এ সময় তিনি মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং সমাজ বিনির্মাণে তাঁর সততা ও কর্তব্যের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিগুলো শ্রদ্ধাভরে তুলে ধরেন।
একই সাথে তিনি খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই টুর্নামেন্ট থেকে যারা ভালো ফলাফল ও নৈপুণ্য প্রদর্শন করবে, তাদের জন্য জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে। তৃণমূলের মেধাবী ফুটবলারদের তুলে আনতে এই উদ্যোগ বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খেলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক এবং সুজন সংঘের সভাপতি শাহ شفیقুল আলম (রানু মিয়া) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।
উদ্বোধনী ম্যাচটি উপভোগ করতে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা ও সংহতি প্রকাশ করেছেন গেরদা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান মৃধা রাশেদ এবং গেরদা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, তরুণ সমাজকে মাদক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে সুস্থ ধারার ক্রীড়ামুখী করতেই এই ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন। ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত একটি সফল ও সার্থক টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অতিথিরা।

ফরিদপুরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আলোচনা সভা ও মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আলোচনা সভা ও মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ফরিদপুরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে মঙ্গল ‌ শোভাযাত্রা বের করা হয়।
সংগঠনের জেলা কমিটির ‌ সভাপতি অজয় করের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ
এ সময় বক্তব্য দেন মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরীজ, মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টে মহানগর শাখার ‌ সভাপতি শান্ত কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক টুটুল কুন্ডু, মহানগর কমিটির যুগ্ন- আহ্বায়ক বিপ্লব কুমার ‌সাহা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যক্রম পালন করতে পারছেন। আমরা সবাই বাংলাদেশি। বক্তারা বলেন ‌ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ‌ সব সময় ‌ আপনাদের পাশে আছে আর তাই
দেশের উন্নয়নে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
পরে শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গনে ফিরে আসে।
এর পূর্বে ‌ বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত বৃন্দ উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন অনুষ্ঠানের ‌ পরবর্তী পর্বে ভক্তদের মধ্যে ‌প্রসাদ বিতরণ করা হয়।