সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নগরকান্দায় নিজের জমি থাকার পরও ‘ভূমিহীন’ দেখিয়ে খাসজমি বন্দোবস্তের অভিযোগ

সদরপুর প্রতিনিধি : প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় নিজের জমি থাকার পরও ‘ভূমিহীন’ দেখিয়ে খাসজমি বন্দোবস্তের অভিযোগ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের কৃষ্ণারডাঙ্গী গ্রামে নিজের বাড়ি ও জমি থাকার পরও ‘ভূমিহীন’ দেখিয়ে সরকারি খাসজমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দুবাইপ্রবাসীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, গজারিয়া বাজারসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত প্রায় আট শতাংশ সরকারি খাসজমি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্থের বিনিময়ে বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছে। জমিটি কৃষ্ণারডাঙ্গী মৌজার ৫৮৮/৬০৯ নম্বর দাগের সামনে ১ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় জমির মালিক বাবলু শেখ, মর্জিনা, মুঞ্জিলা ও আর্জিনা অভিযোগ করেন, তাঁদের বাড়ি ও জমির সামনে থাকা সরকারি জায়গাটি বন্দোবস্ত দেওয়ার পর চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। এতে বাড়ি থেকে বের হওয়া এবং পেছনের জমিতে যাতায়াতে তাঁদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
তাঁদের দাবি, আক্তার খালাশি সচ্ছল এবং তাঁর নিজস্ব বাড়ি ও জমি রয়েছে। তাই তিনি কীভাবে ভূমিহীন হিসেবে খাসজমি বন্দোবস্ত পেলেন, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানান তাঁরা। একই সঙ্গে বন্দোবস্তের আগে তাঁর ভূমিহীনতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।
অর্থের বিনিময়ে জমি বন্দোবস্ত নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আক্তার খালাশি বলেন, “জমিটি আমি অনেক আগে ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্ত নিয়েছি।” নিজের বাড়ি ও জমি থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার বাড়ি ও জমি আছে, তাতে কী? বাজারের জায়গা আমি ভূমিহীন হিসেবে নিয়েছি। আমি প্রবাসে থাকি, এখন টাকা হয়েছে। আগে গরিব ছিলাম।”
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, জমিটি নিয়ে বিরোধের কারণে ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও সেখানে কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা জমিটির সীমানা নির্ধারণ করে মাপজোখ এবং বন্দোবস্তের বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে নগরকান্দার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, “কারও নামে নিজস্ব জায়গা থাকলে ভূমিহীন দেখিয়ে বন্দোবস্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাসজমিটি দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা চলাচলের জন্য ব্যবহার করে আসছেন। তাই সংশ্লিষ্ট ভূমি কার্যালয়ের নথিপত্র যাচাই করে আক্তার খালাশিকে বন্দোবস্ত দেওয়ার সময় তাঁর ভূমিহীনতার বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হোক।

ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

এম এইচ সুজন মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ফরিদপুর সদরের ১২ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া মসজিদ সংলগ্ন ফকির বাড়ির শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি অত্র মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ধোপাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আকরাম মাস্টারের পিতা মোঃ রতন ফকির আজ ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকায় তাঁর জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দখলে থাকা পৈত্রিক ১১ শতাংশ জমি উদ্ধারের দাবি করেছেন আক্কাস আলী খান (৫০) নামে এক ব্যক্তি। গত ১ সেপ্টেম্বর জমিটি দখলমুক্ত করে সেখানে বসতভিটা নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি।
আক্কাস আলী খানের দাবি, ১৯৭২ সালে তার বাবা উসমান গণি খান ও চাচা জালাল উদ্দিন খান ৯৫৭৭ নম্বর দলিলমূলে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে এসএ ও দিয়ারা মিউটেশনের মাধ্যমে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তারা। এর মধ্যে ১১ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন নান্নু মুন্সি (৪০) ও তার লোকজন দখলে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ।
আক্কাসের দাবি, নান্নু মুন্সির দেখানো দলিলে থাকা দাগের সঙ্গে তাদের ক্রয়কৃত জমির দাগের কোনো মিল নেই। সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলিলপত্র বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করে তারা জমিটি নিজেদের দখলে নেন।
এদিকে জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে নান্নু মুন্সি চরভদ্রাসন থানায় অভিযোগ করেছেন। থানার এসআই আব্দুল করিম জানান, উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হলেও বাদী পক্ষ এখনও বসেনি।
নান্নু মুন্সি দাবি করেন, শহিদুল ইসলাম মোল্যা ও শাহাদাত মৃধা জমিটি কেনার কথা বলে পরে সরে যাওয়ায় তাদের নামসহ থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে শহিদুল ও শাহাদাতের দাবি, কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি নান্নু মুন্সিদের নয় বলে তারা কেনেননি।
জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।চাইলে এর জন্য আরও চমকপ্রদ ৫টি শিরোনামও দিতে পারি।

মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে রাজু নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাজুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
​শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানূর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজু মোল্লা উপজেলার ধুলজুড়ী গ্রামের পিয়ার মোল্লা ও চায়না বেগম দম্পতির ছেলে।
​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজু মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর ফলে স্থানীয় যুবসমাজ ও তাঁর নিজের পরিবার চরম ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাঁকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
​মাদকের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।