সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ভোজ্যতেলে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার বন্ধে ফরিদপুরে ক্যাবের এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

তানভীর রহমান নাহিদ, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার বন্ধে ফরিদপুরে ক্যাবের এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়ে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বাতিল এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাজার মনিটরিং জোরদার, ব্যবসায়ীদের সচেতন করা এবং ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রিতে নিরাপদ পাত্র ব্যবহারের বিষয়ে সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে ফরিদপুর পৌরসভার হলরুমে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ ও কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম
ফরিদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইলিয়াছুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক সচিব এ.এইচ.এম. সফিকুজ্জামান
ক্যাব ফরিদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ -এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহঃ ইফতিখার, ন্যাশনাল হার্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোকতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ সোহেল রেজা চৌধুরী, ফরিদপুর সভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুসাইন মোহাম্মদ হাই জকি, ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হালিম সহ স্থানীয় বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভোজ্যতেল সংরক্ষণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে নিরাপদ পাত্র ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। অনিরাপদ ড্রামে ভোজ্যতেল রাখা ও বিক্রির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই পর্যায়ক্রমে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার বন্ধের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
সভায় স্থানীয় পর্যায়ে বাজার কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের নিরাপদ পাত্র ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং নিয়মিত বাজার তদারকির আহ্বান জানানো হয়।

আয়োজকরা জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শুধু প্রশাসনিক নজরদারি নয়, ব্যবসায়ী, ভোক্তা ও স্থানীয় নেতৃত্বের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়ে নিরাপদ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে সভায় মত দেওয়া হয়।

ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

এম এইচ সুজন মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর সদরের চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া জামে মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রতন ফকির মারা গেছেন

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ফরিদপুর সদরের ১২ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের চতর খাড়াপাড়া মসজিদ সংলগ্ন ফকির বাড়ির শ্রদ্ধেয় মুরুব্বি অত্র মসজিদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ধোপাডাঙ্গা বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আকরাম মাস্টারের পিতা মোঃ রতন ফকির আজ ৬ সেপ্টেম্বর, রবিবার, সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।
(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ পুত্র, ৫ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকায় তাঁর জানাজার নামাজ শেষে তাঁকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।
তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে ১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো অসহায় পরিবারের জমি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দখলে থাকা পৈত্রিক ১১ শতাংশ জমি উদ্ধারের দাবি করেছেন আক্কাস আলী খান (৫০) নামে এক ব্যক্তি। গত ১ সেপ্টেম্বর জমিটি দখলমুক্ত করে সেখানে বসতভিটা নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি।
আক্কাস আলী খানের দাবি, ১৯৭২ সালে তার বাবা উসমান গণি খান ও চাচা জালাল উদ্দিন খান ৯৫৭৭ নম্বর দলিলমূলে ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে এসএ ও দিয়ারা মিউটেশনের মাধ্যমে জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তারা। এর মধ্যে ১১ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন নান্নু মুন্সি (৪০) ও তার লোকজন দখলে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ।
আক্কাসের দাবি, নান্নু মুন্সির দেখানো দলিলে থাকা দাগের সঙ্গে তাদের ক্রয়কৃত জমির দাগের কোনো মিল নেই। সম্প্রতি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও দলিলপত্র বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে কাগজপত্র যাচাই করে তারা জমিটি নিজেদের দখলে নেন।
এদিকে জমিতে নির্মাণকাজ বন্ধের দাবিতে নান্নু মুন্সি চরভদ্রাসন থানায় অভিযোগ করেছেন। থানার এসআই আব্দুল করিম জানান, উভয় পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে বসতে বলা হলেও বাদী পক্ষ এখনও বসেনি।
নান্নু মুন্সি দাবি করেন, শহিদুল ইসলাম মোল্যা ও শাহাদাত মৃধা জমিটি কেনার কথা বলে পরে সরে যাওয়ায় তাদের নামসহ থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে শহিদুল ও শাহাদাতের দাবি, কাগজপত্র যাচাই করে জমিটি নান্নু মুন্সিদের নয় বলে তারা কেনেননি।
জমিটির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।চাইলে এর জন্য আরও চমকপ্রদ ৫টি শিরোনামও দিতে পারি।

মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
মাদক মামলায় রাজুর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আলফাডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে রাজু নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শেষে রাজুকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
​শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানূর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজু মোল্লা উপজেলার ধুলজুড়ী গ্রামের পিয়ার মোল্লা ও চায়না বেগম দম্পতির ছেলে।
​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রাজু মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর ফলে স্থানীয় যুবসমাজ ও তাঁর নিজের পরিবার চরম ধ্বংসের মুখে পতিত হচ্ছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাঁকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
​মাদকের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে এবং মাদকের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে এবং এলাকায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।