মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

আজ বুধবার আখেরি চাহার সোম্বা: যে কারণে দিনটি গুরুত্বপূর্ণ

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ
আজ বুধবার আখেরি চাহার সোম্বা: যে কারণে দিনটি গুরুত্বপূর্ণ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা পালিত হচ্ছে আগামীকাল ১২ আগস্ট ২০২৬, বুধবার। এটি আরবি সনের ২৮ শে সফর মাসের শেষ বুধবার।
এই দিনে নবী করিম [ﷺ]-অসুস্থতা থেকে হঠাৎ জ্বর ছিল জ্বর কমে গেল, আসলে আমরা সামাজিকভাবে একটা কথা বলে ফেলি যে নবীজি অসুস্থ ছিলেন আসলে না। এটা তার শানে মানায় না। কারণ তিনি তো ইসলামের প্রাণ আমাদের ঈমান কুল কায়েনাতের রহমত ইত্যাদি তিনি যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে উপরের তাহলে সবকিছুই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাই তিনি অসুস্থ ছিলেন না তিনি উম্মতের ব্যথায় শোকাহত ছিলেন। উম্মতের গুনাহ মাফের জন্য,, আল্লাহ পাক যখন ফায়সালা দিল তখন
তিনি সকাল বেলা উঠেই হযরত আয়শা (رضي الله عنه)-কে ডেকে বললেন, আমার জ্বর কমে গেছে তুমি আমাকে গোসল করিয়ে দাও। সেমতে তাঁকে গোসল করানো হল। তিনি সুস্থ্য বোধ করলেন। এটাই ছিল দুনিয়ার শেষ গোসল। ইমাম হাসান, ইমাম হোসাইন ও বিবি ফাতিমা (رضي الله عنها) কে ডেকে আনা হলো। নাতিদ্বয়কে নিয়ে তিনি সকালের নাস্তা করেন। হযরত বেলাল (رضي الله عنه) সুফফাবাসীগণ বিদ্যুতের ন্যায় এ সংবাদ মদিনার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিলেন। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আনন্দের ঢেউ খেলে গেল। তারা বাঁধ ভাঙ্গা স্রোতের মত দলে দলে আসতে লাগলেন এবং হুযুর [ﷺ]-কে এক নজর দেখার জন্য উদগ্রিব হয়ে রইলেন।
হুযুরের রোগ মুক্তির সংবাদে সাহাবায়ে কেরাম কত খুশি ও আনন্দিত হয়েছিলেন তার কিছুটা আন্দাজ করা যায় পরের ঘটনার মাধ্যমে। হযরত আবু বকর (رضي الله عنه) পাঁচহাজার দিরহাম ফকির মিসকীনদের মধ্যে বিলিয়ে দিলেন। হযরত ওমর (رضي الله عنه) দান করলেন সাত হাজার দিরহাম। হযরত ওসমান (رضي الله عنه) দান করলেন ১০হাজার দিরহাম। হযরত আলী (رضي الله عنه) দান করলেন ৩হাজার দিরহাম। সবচেয়ে বেশী দান করলেন, ধনী ব্যবসায়ী হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ (رضي الله عنه)- তিনি একশত উট আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিলেন। সুবহানআল্লাহ! নবী করিম [ﷺ]-এঁর একটু শান্তি ও আরামের সংবাদে সাহাবীগণ কীভাবে জান-মাল উৎসর্গ করে দিতেন এটা তারই আংশিক প্রমাণ। “হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه) প্রতি বৎসর ঈদে মিলাদুন্নবীর [ﷺ] দিনে একটি মূল্যবান লাল উট জবাই করে যেয়াফত দিতেন।
অপরদিকে —–
ফতোয়ায়ে রযভীয়া, আলা হযরত ইমাম আহমদ রযা খান রহ., খণ্ড ২২, পৃষ্ঠা ২৪০)।
তাসাওউফ ও মারেফতের পরিভাষায়: সুফি বুজুর্গ ও আধ্যাত্মিক সাধকগণের (আহলে কাশফ) দৃষ্টিকোণ থেকে সফর মাসের শেষ বুধবার হলো এমন একটি দিন, যে দিনে আসমান থেকে সারা বছরের ৩ লক্ষ ২০ হাজার আসমানি ও জমিনি বালা-মুসিবত অবতীর্ণ হয়। তাই সুফিদের পরিভাষায় এটি উৎসবের দিন নয়; বরং আল্লাহর গজব ও মুসিবত থেকে রক্ষাকল্পে তওবা, নফল নামাজ, সদকা ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর রহমতের চাদরে আশ্রয় নেওয়ার দিন।
১. তাফসিরে রুহুল বয়ান: আয়াত, শানে নুযুল ও বিস্তৃত ব্যাখ্যাঃ
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুফাসসির আল্লামা ইসমাইল হাক্কী আল-বুরসবি (রহ.) তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ‘তাফসিরে রুহুল বয়ান’ গ্রন্থে পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটিকে একটি বিশেষ আধ্যাত্মিক ও ঐতিহাসিক আলোচনার দুয়ারে উপস্থাপন করেছেন।
পবিত্র কুরআনের আয়াত:
إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
(উচ্চারণ: ইন্না আরসালনা আলাইহিম রিহান সোরসোরান ফি ইয়াওমি নাহসিন মুস্তামির।)
অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি তাদের ওপর এক নিরবচ্ছিন্ন অশুভ দিনে প্রচণ্ড হিমশীতল ও গর্জনকারী হাওয়া প্রেরণ করেছিলাম।” (সূরা আল-ক্বামার: ১৯)
তাফসিরে রুহুল বয়ানের আলোকে আমল ও ইবাদতের ফজিলত
ইমাম বুরসবি (রহ.)-এর এই তাফসির থেকে সফর মাসের শেষ বুধবারে আমল করার ৩টি মহিমান্বিত ফজিলত অর্জিত হয়:
১. গজবকে রহমতে রূপান্তর: যে দিনটি কাফের ও পাপাচারীদের জন্য গজবের, মুমিনরা সেই দিনে তওবা, নফল নামাজ ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর খাস রহমতের চাদরে আশ্রয় লাভ করে।
২. সারা বছরের নিরাপত্তা: আরিফ বিল্লাহগণের কাশফ অনুযায়ী এই দিনে অবতীর্ণ ৩ লক্ষ ২০ হাজার আসমানি ও জমিনি বিপদ থেকে পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা বান্দাকে সারা বছর হেফাজতে রাখেন।
৩. আল্লাহর অসন্তোষ প্রশমন: হাদিসের আলোকে আজাবের দিনে সদকা ও নফল ইবাদত করলে আল্লাহর অসন্তোষ প্রশমিত হয় এবং অপমৃত্যু প্রতিরোধ হয়।
এ_দিনের_আমলঃ-
এদিন সূর্যোদয়ের আগে গোসল করা উত্তম আমল।
*সূর্যোদয়ের পর দোহার/ চাশতের নামাজান্তে দুই রাকা’ত নফল নামাজ পড়া উত্তম। প্রতি রাকাআতে সুরা ফাতিহার পর ১১বার সুরা ইখলাস অথবা তা সম্ভব না হলে ৩ বা ১ বারও পড়তে পারেন।
সালামান্তে ৭০ বা ততোধিক বার দরূদ শরীফ পাঠ করে নিম্নের দোয়াটি তিনবার পাঠ করা-
“আল্লাহুম্মা ছাররিফ আন্নী ছুআ হাযাল ইয়াওমা, ওয়া আছিমনী মিন ছুয়িহি, ওয়া নাযযিনি আম্মা আছাবা ফিহি, মিন নাহু ছাতিহি ওয়া কুরবাতিহি, বিফাদলিকা এয়া দাফিয়াশ শুরুরি, ওয়া এয়া মালিকান নুশুরি এয়া আর হামার রাহিমীন, ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলিহিল আমজাদি ওয়া বারাকা ওয়াসাল্লাম”।
*এ দিনে প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতে সালাম পড়ে হাতে ফু দিয়ে সারা শরীর মাসেহ করবেন।
বেশি বেশি নফল ইবাদত, দরূদ শরীফ পাঠ, দান সদকা করা, গরীবদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা যায়।
আল্লাহ তা’য়ালা আমরা সবাই কে আমল করার তৌফিক দান করুন আমীন।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিএনপির বিক্ষোভ

আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আলফাডাঙ্গায় বিএনপির বিক্ষোভ

বিএনপি ও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলো।
পরে চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা। এতে বিএনপি নেতারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক বিষয় হলেও জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বা আপত্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হতে পারে না। তারা ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও শালীন বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস বলেন, রাজনীতিতে মতের ভিন্নতা থাকবে, সমালোচনা থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু জাতীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গার বিএনপি নেতাকর্মীরা আজ রাজপথে নেমেছে এবং ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর জামাল খসরু বলেন, “রাজনৈতিক বক্তব্যে দায়িত্বশীলতা ও শালীনতা থাকা জরুরি। কাউকে হেয় করে বা অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করে রাজনীতিতে সুস্থ পরিবেশ তৈরি করা যায় না। আমরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সৌজন্য ও সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান হাসিব বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো অন্যায় বা অসম্মানজনক বক্তব্যের সামনে নীরব থাকবে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করা যায়, কিন্তু ভাষার সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের প্রতিবাদেই আজকের এই কর্মসূচি। আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি।
কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম দাউদ, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ফারুক হোসেন কাজল, প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মুসা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নেয়ামত হোসেন পারভেজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভাকে কেন্দ্র করে বিকেলে আলফাডাঙ্গা পৌর শহরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। মিছিল ও সভা থেকে নেতাকর্মীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথিত বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক বক্তব্যে শালীনতা ও সৌজন্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ফরিদপুরে জমকালো আয়োজনে ‘ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন ও ৫০ হাজার সদস্যের মাইলফলক উদযাপন

আবু সাঈম খান, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জমকালো আয়োজনে ‘ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন ও ৫০ হাজার সদস্যের মাইলফলক উদযাপন

ফরিদপুরের জনপ্রিয় ভ্রমণ বিষয়ক সংগঠন ও সেবামূলক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ ৫০ হাজার (৫০ কে) সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করায় এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে ফিতা ও কেক কেটে নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট পুরান বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘মোমেন ম্যানশন’ এর দ্বিতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির এই নতুন ও আধুনিক কার্যালয়টি স্থাপন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, রাজিবুর রহমান সুজন এবং মোঃ সোহাগ হাওলাদার। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ট্রাভেল গ্রুপের শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও এডমিন প্যানেলে রয়েছেন মোঃ রাজনু সরদার, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এবং নাফিস রোহান। তাদের যৌথ দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অক্লান্ত পরিশ্রমে গ্রুপটি আজ ফরিদপুরের অন্যতম শীর্ষ ভ্রমণ কমিউনিটিতে পরিণত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকেরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “শুরু থেকেই আমরা এটিকে কেবল একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করিনি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ফরিদপুরবাসীকে কীভাবে সেরা পর্যটন সেবা দেওয়া যায়। বিশেষ করে ফরিদপুর এবং দেশের বাইরে থাকা ফরিদপুরের মানুষদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দদায়ক ভ্রমণের পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
তারা আরও জানান, ফরিদপুর থেকে সরাসরি সুসজ্জিত চেয়ার কোচের পাশাপাশি উন্নত মানের এসি বাসের (AC Bus) বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট যেমন—কক্সবাজার, সাজেক ভ্যালি, সিলেট, কুয়াকাটা, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে নিয়মিত প্যাকেজ ট্যুর সফলভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। সাধারণ ট্যুরের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, বীমা কোম্পানিসহ নানাবিধ কর্পোরেট সংগঠনের জন্য বিশেষায়িত ‘কর্পোরেট ট্যুর’ সেবাও অত্যন্ত সুনামের সাথে প্রদান করছে ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস।
ভবিষ্যতেও ফরিদপুরের মানুষের ভ্রমণকে আরও আরামদায়ক, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সেবার মান আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পরিচালকেরা।

বাবুরচর উচ্চ বিদ্যালয় সরকারিকরণের আশ্বাস -এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
বাবুরচর উচ্চ বিদ্যালয় সরকারিকরণের আশ্বাস -এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাবুরচর উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের আশ্বাস দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশ্বাস দেন।
এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, “বাবুরচর উচ্চ বিদ্যালয়টি এ অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টির দীর্ঘদিনের নানা সমস্যা ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। বিদ্যালয়টিকে সরকারিকরণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবুরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম হাওলাদার। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সার্বিক সহযোগিতায় আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। টুর্নামেন্টে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে।