ফরিদপুরে জমকালো আয়োজনে ‘ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন ও ৫০ হাজার সদস্যের মাইলফলক উদযাপন
ফরিদপুরের জনপ্রিয় ভ্রমণ বিষয়ক সংগঠন ও সেবামূলক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’ এর নতুন অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ ৫০ হাজার (৫০ কে) সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করায় এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে ফিতা ও কেক কেটে নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট পুরান বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন ‘মোমেন ম্যানশন’ এর দ্বিতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির এই নতুন ও আধুনিক কার্যালয়টি স্থাপন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, রাজিবুর রহমান সুজন এবং মোঃ সোহাগ হাওলাদার। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ট্রাভেল গ্রুপের শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও এডমিন প্যানেলে রয়েছেন মোঃ রাজনু সরদার, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এবং নাফিস রোহান। তাদের যৌথ দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অক্লান্ত পরিশ্রমে গ্রুপটি আজ ফরিদপুরের অন্যতম শীর্ষ ভ্রমণ কমিউনিটিতে পরিণত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকেরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “শুরু থেকেই আমরা এটিকে কেবল একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করিনি। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ফরিদপুরবাসীকে কীভাবে সেরা পর্যটন সেবা দেওয়া যায়। বিশেষ করে ফরিদপুর এবং দেশের বাইরে থাকা ফরিদপুরের মানুষদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দদায়ক ভ্রমণের পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি।”
তারা আরও জানান, ফরিদপুর থেকে সরাসরি সুসজ্জিত চেয়ার কোচের পাশাপাশি উন্নত মানের এসি বাসের (AC Bus) বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট যেমন—কক্সবাজার, সাজেক ভ্যালি, সিলেট, কুয়াকাটা, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটিসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে নিয়মিত প্যাকেজ ট্যুর সফলভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। সাধারণ ট্যুরের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, বীমা কোম্পানিসহ নানাবিধ কর্পোরেট সংগঠনের জন্য বিশেষায়িত ‘কর্পোরেট ট্যুর’ সেবাও অত্যন্ত সুনামের সাথে প্রদান করছে ফরিদপুর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস।
ভবিষ্যতেও ফরিদপুরের মানুষের ভ্রমণকে আরও আরামদায়ক, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের সেবার মান আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পরিচালকেরা।





