ডাস্টবিন, ড্রেনেজ ও শৌচাগারের অভাব: ভোগান্তিতে কামারখালী বাজার
ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার শত বছরের পুরোনো কামারখালী বাজারে নেই পর্যাপ্ত গণশৌচাগার, ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট স্থান ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা ও ময়লা-আবর্জনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এ বাজারে প্রতিদিন কেনাবেচার পাশাপাশি শুক্র ও সোমবার সাপ্তাহিক হাট বসে। হাটের দিন ফরিদপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হাজারো মানুষ ও ব্যবসায়ী এখানে সমবেত হন। দীর্ঘ সময় বাজারে অবস্থান করলেও পর্যাপ্ত গণশৌচাগার না থাকায় বিশেষ করে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বাজারে আসা লিপি পারভীন বলেন, “শিশু সন্তান নিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে নিকটবর্তী একটি বাড়িতে যেতে হয়েছে। এত পুরোনো বাজার এভাবে চলতে পারে না।”
কামারখালী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মণ্ডল বলেন, গণশৌচাগার, পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা জরুরি হলেও কিছু জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।
বণিক সমিতির সভাপতি কাজী মতিউল ইসলাম মুরাদ জানান, বাজারে আধুনিক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সুইপার না থাকায় তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা যাচ্ছে না। বাজারে ঝাড়ুদার না থাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও সম্ভব হচ্ছে না।
কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাকিব হোসেন চৌধুরী ইরান বলেন, নারী-পুরুষের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। তবে সুইপারের অভাবে তা চালু করা যাচ্ছে না। ড্রেন থাকলেও মাটি জমে বারবার ভরাট হয়ে যায়।
মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, বণিক সমিতি ও সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কামারখালী বাজারের সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি উপজেলার অন্যান্য বাজারের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হবে।





