বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

শত শত বৈঠার ছন্দে আবারও মুখরিত ভাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী কুমার নদ

মো. সুমন মুন্সী , ভাঙ্গা: প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
শত শত বৈঠার ছন্দে আবারও মুখরিত ভাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী কুমার নদ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

একসময় যে নদীর বুকে শত শত বৈঠার ছন্দে ছুটে চলত রঙিন নৌকা, সেই ঐতিহ্য যেন আবারও প্রাণ ফিরে পেল। দীর্ঘ কয়েক বছর পর ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঐতিহ্যবাহী কুমার নদে অনুষ্ঠিত হলো জমজমাট নৌকা বাইচ। বৈঠার তালে তালে নৌকার ছুটে চলা আর নদীর দুই পাড়ে হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ঠিক ৩টা ৩০ মিনিট থেকে কুমার নদের বুকে শুরু হয় এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা।


স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় দুইশ বছর ধরে বিশ্বকর্মা পূজাকে কেন্দ্র করে কুমার নদে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই নৌকা বাইচ। এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং ভাঙ্গার মানুষের কাছে এটি দীর্ঘদিনের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। তবে কয়েক বছর ধরে নৌকা বাইচ বন্ধ থাকায় এ আয়োজন থেকে বঞ্চিত ছিলেন স্থানীয়রা।
দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও সেই পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনায় কুমার নদ ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকা বাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে জড়ো হতে থাকেন মানুষ। দুপুর গড়াতেই নদীর তীর পরিণত হয় জনসমুদ্রে। শিশু, কিশোর, তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে নদীর পাড়ে বসে গ্রামীণ মেলা। বিভিন্ন ধরনের খাবার, খেলনা ও নানা পণ্যের দোকান বসায় উৎসবের আনন্দ আরও বেড়ে যায়।
দীর্ঘদিন পর নৌকা বাইচ ফিরে আসায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা। তাদের প্রত্যাশা, শুধু একবার নয়—প্রতিবছরই যেন একইভাবে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহামুদ খৈয়াম । এছাড়াও বিশেষ অতিথি ও নৌকা বাইচের প্রধান আয়োজক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শামীমুজ্জামান, জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শাহারিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী,জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও ফরিদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন খান পলাশ।
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান ,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক তৈমুর লং ও বিপুল মুন্সী , প্রচার সম্পাদক মির্জা ইমরান, যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ ওসমান মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম আযম, ভাঙ্গা উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মুন্সী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল সহ অতিথিগন।
নৌকা বাইচ দেখতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, কুমার নদকে ঘিরে এই আয়োজন ভাঙ্গার মানুষের আবেগ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। কয়েক বছর পর আবারও বৈঠার ছন্দে নদীকে মুখরিত হতে দেখে তারা আনন্দিত। তাদের প্রত্যাশা, প্রতিবছর বিশ্বকর্মা পূজাকে ঘিরে আরও বড় পরিসরে এই নৌকা বাইচ আয়োজন করা হবে।
উৎসবে উপস্থিত সচেতন মহলের প্রতিনিধিরাও মনে করেন, আধুনিকতার চাপে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিতভাবে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হলে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে এই ঐতিহ্যের সংযোগ আরও দৃঢ় হবে এবং ভাঙ্গার কুমার নদ আবারও হয়ে উঠতে পারে লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের কমিটিতে নাম, পদ অস্বীকার করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের কমিটিতে নাম, পদ অস্বীকার করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা

ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের সদ্যঘোষিত কমিটিতে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম। ওই কমিটির সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সালথা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সদ্যঘোষিত সালথা উপজেলা যুবলীগের কমিটিতে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদে যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি তাঁর নয়। তিনি ওই পদ গ্রহণ করেননি এবং এ বিষয়ে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেননি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতেও এ দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন। যুবলীগের কমিটিতে তাঁরই নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন ধারণা থেকে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। এ কারণে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং এ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানান।
এ সময় ইসলামী বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জিয়াউল হাসান মিঠু ও যুগ্ম আহ্বায়ক খান মো. শাহ সুলতান রাহাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তারা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। রোববার ও সোমবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে গভীররাত পর্যন্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন, সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মিয়াজী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মোহাম্মদ আল- ফাহাদ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসুল সামদানী আজাদ, মন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব মোঃ ফজলুর রহমান, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ- সভাপতি ও লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, সহ- সভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া, সহ-সভাপতি আলিমুজ্জামান সেলু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম – আহ্বায়ক আবুল হাসান টিটু, সাবেক যুগ্ম- সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান শরীফ, নগরকান্দা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক তৈয়াবুর রহমান মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ন- আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বাবু, যুগ্ন- আহ্বায়ক তালুকদার মোরাদ হোসেন, নগরকান্দা পৌর যুবদলের আহবায়ক হেলালউদ্দীন হেলালসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেন, চলমান দূর্গা পূজায় প্রতিটি মন্দিরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দ্বায়িত্ব পালন করছে। এটাই প্রমান করে যে বিএনপি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিশ্বাস করে।

সদরপুরে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান: জাল ও ট্রলার জব্দ, ৩ জেলের কারাদণ্ড

নুরুল ইসলাম, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
সদরপুরে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান: জাল ও ট্রলার জব্দ, ৩ জেলের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আড়িয়াল খাঁ ও পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার ট্রলার জব্দের পাশাপাশি নিয়ম অমান্য করায় তিন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে সদরপুর থানা পুলিশ।
অভিযানে যা জব্দ করা হয়েছে
সারাদিনব্যাপী পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে নদী থেকে ৮০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ১টি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়।
এসময় জব্দকৃত ৮০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ভষ্মিভুত করা হয় এবং ৫ কেজি মা ইলিশ উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানায় বিলি করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা
অভিযান শেষে সোমবার রাত ৯টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ উদ্দিন। এ সময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৩ জেলেকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: ১. রুবেল হোসেন (পিতা: মজিবর শিকদার, গ্রাম: চর বলাশিয়া, ইউনিয়ন: ঢেউখালী) ২. হিরণ কাড়াল (পিতা: দবির কাড়াল, গ্রাম: কাড়াল কান্দি, ইউনিয়ন: চর নাসিরপুর) ৩. কুদ্দুস খলিফা (পিতা: কাশেম খলিফা, গ্রাম: হালিম হাওলাদার কান্দি, ইউনিয়ন: চর নাসিরপুর)
অভিযানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
যৌথ এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল আবরার।
প্রশাসনের কঠোর বার্তা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সুরক্ষার মাধ্যমে এর উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ সময়ে নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও তৎপরতা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।