মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

‘হা-মীম গ্রুপ সমকাল মেধাবৃত্তি’ পেলেন- ৩৭ শিক্ষার্থী

তানভীর রহমান নাহিদ, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
‘হা-মীম গ্রুপ সমকাল মেধাবৃত্তি’ পেলেন- ৩৭ শিক্ষার্থী
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

‘হা-মীম গ্রুপ সমকাল মেধাবৃত্তি’ পেয়েছেন ৩৭ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে চলতি বছর ৩১ জনের বৃত্তি নবায়ন হয়েছে এবং নতুন করে যুক্ত হয়েছেন আরও ৬ শিক্ষার্থী। বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে পাচ্ছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সমকাল সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে অভিনন্দনপত্র তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষক, লেখক ও গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. রানা চৌধুরী, হা-মীম গ্রুপের পরিচালক ও সমকালের প্রকাশক আবুল কালাম আজাদ, ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার ফোরামের সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক ইয়া আযম এবং হা-মীম গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউর রহমান।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমকাল সুহৃদ সমাবেশের বিভাগীয় সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন।
প্রতিবছর নতুন শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি পুরনো শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি নবায়ন করা হয়। ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা না থাকলে বৃত্তি বাতিলও করা হয়।
এ বছর নতুন করে বৃত্তি পাওয়া ছয় শিক্ষার্থী হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের নিকোলাস ডি. রোজারিও, আইন বিভাগের তৌহিদুল ইসলাম, গণিত বিভাগের নাসিম মণ্ডল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শোয়েব ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অর্কপ্রভ রায় এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাদিয়া সুলতানা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রানা চৌধুরী বলেন, ‘মেধাবৃত্তির সহায়তায় তোমরা সুপ্রতিষ্ঠিত হলে অতীত ভুলে যাবে না। তোমরা যে স্বপ্ন দেখেছ, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। এমনভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবে, যাতে তাদের উচ্চশিক্ষার পথটা সহজ হয়। তোমাদের পাশে হা-মীম গ্রুপ ও সমকাল ছিল, থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, অনেকের সামর্থ্য থাকলেও এ ধরনের উদ্যোগ নেন না কিংবা নিজেদের বিত্তের একটি অংশ অন্যদের জন্য ব্যয় করেন না। শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য হা-মীম গ্রুপ ও সমকালকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি পেয়েছেন, তারা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত মেধাবী। তবে বৃত্তিপ্রাপ্তদেরও দায়িত্ব রয়েছে। প্রতিষ্ঠিত হয়ে তারাও যেন অন্যের পাশে দাঁড়ান—এ বিষয়টি মাথায় রেখেই তাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
কর্নেল (অব.) ফারুক ইয়া আযম বলেন, মেধাবৃত্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবন এগিয়ে নিতে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন। এতে শুধু বৃত্তিপ্রাপ্তরাই নন, অন্য শিক্ষার্থীরাও অনুপ্রাণিত হবেন। তাই নিজেদের জীবনকে ভালো করার পাশাপাশি আশপাশের ছোটদেরও অনুপ্রাণিত করতে হবে।
অনুভূতি প্রকাশ করে শিক্ষার্থী নিকোলাস ডি. রোজারিও বলেন, এই বৃত্তি তার জন্য শুধু আর্থিক সহযোগিতা নয়, মনোবল বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে চলার জন্য এটি তাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
শিক্ষার্থী সামিউল হক বর্ষণ বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই পুরস্কার পেতে পছন্দ করি। ২০২৩ সাল থেকে এই মেধাবৃত্তি পেয়ে আসছি। এটি ভালো ফলাফল করতে আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়।’
আরেক শিক্ষার্থী মুমতাহিনা দেওয়ান মেধা বলেন, এক বছর ধরে পাওয়া বৃত্তির অর্থ থেকে পকেট খরচের পাশাপাশি নিজের ছোট ছোট শখও পূরণ করতে পারছেন তিনি।
অভিভাবক জয়নাল আবেদীন বলেন, তার মেয়ে মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সময় এই মেধাবৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তিটি তার মেয়েকে অনেক সহযোগিতা করেছে। ভবিষ্যতেও যেন এই বৃত্তি অব্যাহত থাকে—এটাই তার প্রত্যাশা।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের কমিটিতে নাম, পদ অস্বীকার করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের কমিটিতে নাম, পদ অস্বীকার করলেন ইসলামী আন্দোলনের নেতা

ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের সদ্যঘোষিত কমিটিতে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম। ওই কমিটির সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে সালথা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, সদ্যঘোষিত সালথা উপজেলা যুবলীগের কমিটিতে ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদে যে নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি তাঁর নয়। তিনি ওই পদ গ্রহণ করেননি এবং এ বিষয়ে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেননি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতেও এ দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবেন। যুবলীগের কমিটিতে তাঁরই নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এমন ধারণা থেকে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। এ কারণে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং এ নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানান।
এ সময় ইসলামী বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জিয়াউল হাসান মিঠু ও যুগ্ম আহ্বায়ক খান মো. শাহ সুলতান রাহাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তারা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম

ফরিদপুরের নগরকান্দায় দুদিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। রোববার ও সোমবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে গভীররাত পর্যন্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন, সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মিয়াজী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মোহাম্মদ আল- ফাহাদ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসুল সামদানী আজাদ, মন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব মোঃ ফজলুর রহমান, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ- সভাপতি ও লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, সহ- সভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া, সহ-সভাপতি আলিমুজ্জামান সেলু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম – আহ্বায়ক আবুল হাসান টিটু, সাবেক যুগ্ম- সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান শরীফ, নগরকান্দা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক তৈয়াবুর রহমান মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ন- আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম বাবু, যুগ্ন- আহ্বায়ক তালুকদার মোরাদ হোসেন, নগরকান্দা পৌর যুবদলের আহবায়ক হেলালউদ্দীন হেলালসহ বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেন, চলমান দূর্গা পূজায় প্রতিটি মন্দিরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দ্বায়িত্ব পালন করছে। এটাই প্রমান করে যে বিএনপি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিশ্বাস করে।

সদরপুরে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান: জাল ও ট্রলার জব্দ, ৩ জেলের কারাদণ্ড

নুরুল ইসলাম, সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
সদরপুরে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান: জাল ও ট্রলার জব্দ, ৩ জেলের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে আড়িয়াল খাঁ ও পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস। এ সময় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার ট্রলার জব্দের পাশাপাশি নিয়ম অমান্য করায় তিন জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে সদরপুর থানা পুলিশ।
অভিযানে যা জব্দ করা হয়েছে
সারাদিনব্যাপী পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে নদী থেকে ৮০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ১টি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়।
এসময় জব্দকৃত ৮০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ভষ্মিভুত করা হয় এবং ৫ কেজি মা ইলিশ উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানায় বিলি করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা
অভিযান শেষে সোমবার রাত ৯টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ উদ্দিন। এ সময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৩ জেলেকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: ১. রুবেল হোসেন (পিতা: মজিবর শিকদার, গ্রাম: চর বলাশিয়া, ইউনিয়ন: ঢেউখালী) ২. হিরণ কাড়াল (পিতা: দবির কাড়াল, গ্রাম: কাড়াল কান্দি, ইউনিয়ন: চর নাসিরপুর) ৩. কুদ্দুস খলিফা (পিতা: কাশেম খলিফা, গ্রাম: হালিম হাওলাদার কান্দি, ইউনিয়ন: চর নাসিরপুর)
অভিযানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
যৌথ এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহিল আবরার।
প্রশাসনের কঠোর বার্তা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সুরক্ষার মাধ্যমে এর উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার বদ্ধপরিকর। নিষিদ্ধ সময়ে নদীতে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের এ ধরনের বিশেষ অভিযান ও তৎপরতা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।