মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

পবিত্র জুম্মা: গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের মহিমান্বিত দিন

আবু সাঈম খান, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
পবিত্র জুম্মা: গুনাহ মাফ ও দোয়া কবুলের মহিমান্বিত দিন
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

মুসলিম উম্মাহর কাছে জুম্মার দিনটি সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে বরকতময় দিন। ইসলামে এই দিনটিকে ‘সাপ্তাহিক ঈদের দিন’ এবং ‘গরিবের হজের দিন’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। জুম্মার নামাজের ফজিলত ও এই দিনের আমল সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
নিচে জুম্মার নামাজের প্রধান ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
জুম্মার নামাজের বিশেষ ফজিলত
গুনাহ খাতা মাফ: এক জুম্মা থেকে পরবর্তী জুম্মার মধ্যবর্তী সব ছোট গুনাহ আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করে দেন।
এক বছরের ইবাদতের সওয়াব: জুম্মার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে হেঁটে যাওয়ার প্রতিটি কদমে এক বছরের নফল নামাজ ও রোজার সওয়াব মেলে।
দোয়া কবুলের বিশেষ ক্ষণ: জুম্মার দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে (বিশেষ করে আসরের পর), যখন বান্দার যেকোনো বৈধ দোয়া আল্লাহ কবুল করেন।
কুরবানির সওয়াব: জুম্মার আজানের পর প্রথম ওয়াক্তে মসজিদে প্রবেশ করলে একটি উট কুরবানির সমান সওয়াব পাওয়া যায়।
জুম্মার দিনের সেরা সুন্নতি আমল
সুন্নত গোসল: জুম্মার উদ্দেশ্যে উত্তমরূপে মেসওয়াক ও সুন্নত গোসল সম্পন্ন করা।
উত্তম পোশাক ও সুগন্ধি: সাধ্যমতো পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা।
সূরা কাহাফ তিলাওয়াত: জুম্মার দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করলে পরবর্তী জুম্মা পর্যন্ত বিশেষ নূরের আলোয় জীবন আলোকিত থাকে।
বেশি বেশি দরুদ পাঠ: এই বরকতময় দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি প্রচুর পরিমাণে দরুদ শরিফ পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
দ্রুত মসজিদে গমন: খুতবা শুরুর আগেই মসজিদে প্রবেশ করে ইমামের কাছাকাছি বসা এবং মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার এর সাক্ষাৎ

ঢাকা অফিস: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার এর সাক্ষাৎ

বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ-এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উপদেষ্টাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানাদিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধু প্রতীম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাথে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুইদেশের সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা দুটি দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে সম্পর্ক না রেখে জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক বৃদ্ধির উপর জোরারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করেন। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দুইটি দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আবারো দেখা হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভাঙ্গায় বাস- হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত ২

ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় বাস- হোন্ডা সংঘর্ষে নিহত ২

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বাস ও হোন্ডার (মোটরসাইকেল) মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার চুমুরদি ইউনিয়নের বাবলাতলা এলাকায় ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে বাবলাতলা এলাকায় ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কে একটি বাসের সঙ্গে হোন্ডার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর হোন্ডায় থাকা দুইজন গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।
গুরুতর আহত অপরজনকে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। ব্যস্ত এ মহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণ জানতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের নাম-পরিচয় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁরা কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছিলেন, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার পর বাসটি ও হোন্ডার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরও বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ছরোয়ার হোসেনের সমর্থক মো. টুকু মাতুব্বর সোনাপুর বাজারে গেলে লাভলুর সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন বাজারে জড়ো হন। পরে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারিতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ যাওয়ার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান লাভলু ও ছরোয়ার হোসেনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।