বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদি আরবে আগুনে নিহতের ১৩ জনই নওগাঁর

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে আগুনে নিহতের ১৩ জনই নওগাঁর
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
  1. কান্নায় ভেঙে পড়েছেন সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের শিফা থানা এলাকার একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্বজনরা।
    সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের শিফা থানা এলাকার একটি সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর আরও তিনজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
    নতুন পরিচয় পাওয়া তিনজন হলেন- নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বোয়ালা গ্রামের মিনহাজুল ইসলাম, একই গ্রামের হৃদয় হোসেন ও নওগাঁ সদর উপজেলার পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিস এলাকার মজনুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ শাহিন হোসেন।
    এর আগে সোমবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নওগাঁর ১০ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করেন।
    স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের এসব মানুষ জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে গিয়ে রিয়াদের শিফা থানা এলাকার একটি সোফা তৈরির কারখানায় কাজ করছিলেন। স্থানীয় সময় রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে ওই কারখানায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার ১২ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজন রয়েছেন।
    নিহতদের মধ্যে আত্রাই উপজেলার পাচুপুর ইউনিয়নের পারকাসুন্দা গ্রামের মৃত তমেজ উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন; বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের বাদল হোসেনের ছেলে সুমন হোসেন, একই গ্রামের সাগর হোসেন ও চঞ্চল হাসানের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ; মাধবপুর গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে মজিদুল ইসলাম; কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালী গ্রামের গোফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক; জাননার হোসেনের ছেলে রুবেল হোসেন; ফজলু প্রামাণিকের ছেলে কলি উদ্দিন প্রামাণিক এবং সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ রয়েছেন। নিহতদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে বলে জানা গেছে।
    জানা যায়, রোববার বাংলাদেশ সময় আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ওই কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
    আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত আত্রাই উপজেলার ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহতদের বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সাদিপুরে মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন।

আহমেদ জ্যাক, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৩ পূর্বাহ্ণ
সাদিপুরে মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন।

ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নের সাদিপুরে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মরহুম চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী।
আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সম্পাদক ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল বাসার মৃধার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুণ, আলিয়াবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম নুরু মণ্ডল, সহসভাপতি রানা সরদার, আতাহার ফকির, আদিল উদ্দিন মেম্বার, ইউপি সদস্য মো. বিপুল এবং আলিয়াবাদ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি জহুরুল হক ঝন্টুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমী দর্শক।
উদ্বোধনী ম্যাচে তালমা স্পোর্টিং একাদশ ও ভিলেজ বাংলা ফুটবল একাডেমির মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে দুই দল ১-১ গোলে ড্র করলে ট্রাইব্রেকারে তালমা স্পোর্টিং একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ভিলেজ বাংলা ফুটবল একাডেমি।
আয়োজকরা জানান, প্রয়াত চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার ও নতুন খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। খেলা ঘিরে স্থানীয় দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

৫ শতাধিক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যুবদল নেতা হাসান আশরাফ, নগদ অর্থ বিতরণ

আবু সাঈম খান, স্টাফ রিপোর্টার: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
৫ শতাধিক মোটরসাইকেল বহর নিয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে যুবদল নেতা হাসান আশরাফ, নগদ অর্থ বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ও উৎসবের আমেজে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সালথা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাসান আশরাফ।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেলের এক বিশাল বহর নিয়ে তিনি আটঘর ইউনিয়নের একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। মোটরসাইকেলের এই বিশাল বহরটি মণ্ডপে মণ্ডপে ভালোবাসার এক অনন্য প্রতীক ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে নিয়ে যায়।
পরিদর্শনকালে হাসান আশরাফ প্রতিটি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, পূজার আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং যুবদলের পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপগুলোতে তাঁর পক্ষ থেকে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে পৌঁছালে আয়োজক ও স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগত জানান।
মণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে হাসান আশরাফ বলেন, “দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে মানুষের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হয়।”
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “বিগত বছরের চেয়ে এবার আপনারা অনেক বেশি নিরাপদে এবং জাঁকজমকপূর্ণভাবে আপনাদের উৎসব পালন করতে পেরেছেন। এ দেশে ধর্মের কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের একটি জাতীয় স্লোগান রয়েছে—’ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’। এই বাণীটি মূলত অসাম্প্রদায়িক চেতনা, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারের প্রতীক।”
যুবদল নেতা হাসান আশরাফ আরও বলেন,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক , পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
“আমাদের প্রিয় নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো ‘সংখ্যালঘু’ শব্দে বিশ্বাস করে না। আপনারা সবসময় কথা রেখেছেন এবং আমাদের প্রিয় নেত্রীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে আপনাদের অবদান অনেক। আমাদের নেত্রী শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনাদের মাঝে এসেছেন এবং বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। আপনাদের পাশে আমার নেত্রী এবং আমি সবসময় আছি। যেকোনো প্রয়োজনে আপনারা আমাকে পাশে পাবেন।”
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে যুবদল নেতা হাসান আশরাফের সাথে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নায়াব ইউসুফ, বিতরণ করলেন নগদ অর্থ ও নতুন কাপড়

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নায়াব ইউসুফ, বিতরণ করলেন নগদ অর্থ ও নতুন কাপড়

শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ ও উৎসবের আমেজে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে ফরিদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি, পূজার আয়োজন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপের আয়োজক ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগদ অর্থ ও নতুন কাপড় বিতরণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ফরিদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার একাধিক পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মী, পূজামণ্ডপের আয়োজক ও সনাতন সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি ।
পরিদর্শন কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি কৈজুরী, মাচ্চর, কৃষ্ণনগর ও কানাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া ফরিদপুর পৌর এলাকার বদরপুর, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড ও চৌধুরী বাড়ি এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে পৌঁছালে আয়োজক ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাঁকে স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে মানুষের মধ্যে আনন্দ, ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় হয়।
সবাই যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে সবাইকে আন্তরিক থাকতে হবে।
তিনি আরও জানান, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও এলাকার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে তিনি আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী রঞ্জন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিনান, মহানগর যুবদলের সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরিজ, সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান বিশ্বাস তরুণ, ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু,ফরিদপুর জেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী, যুবদল নেতা রুবেল হোসেন দুলালসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।