শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদপুরে বিএনপি নেতার প্রতারণায় স্ত্রীর নামে অর্থঋনের মামলা, একাধিক বিয়ের অভিযোগ

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বিএনপি নেতার প্রতারণায় স্ত্রীর নামে অর্থঋনের মামলা, একাধিক বিয়ের অভিযোগ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ফরিদপুরে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও একাধিক বিয়ের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রেক্সানা পারভীন (৩০) নামে এক নারী। তাঁর অভিযোগ, ওই বিএনপি নেতার অভিনব প্রতারণার শিকার হয়ে তাঁর নামে অর্থঋণের মামলা দায়ের করেছে একটি সমিতি। স্বামীর এমন প্রতারণায় অর্থঋণের মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন এই নারী। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং একই ইউনিয়নের পানিপাড়া গ্রামের হামিদ মোল্যার ছেলে পারভেজ হোসেন নিয়ামতের (৩০) দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি জানান, তাঁর স্বামী একজন বিএনপি নেতা ও বর্তমানে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক পদে রয়েছেন এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে লাবিব হোসেন রাজ নামে আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তান ও মাত্র ৯ মাস বয়সী অনয়া পারভেজ সারা নামে এক কণ্যা সন্তান নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে তিনি জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে ছাত্রদল নেতা (তৎকালীন) পারভেজ হোসেন নিয়ামতের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের তিনমাস পরেই তাঁর স্বামী একটি মাইক্রোবাস কিনে ভাড়ায় চালানোর জন্য এনজিও থেকে একলাখ টাকা তুলে দেওয়ার কথা জানান। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর এক আত্মীয়ের নিকট থেকে একলাখ টাকা এনে দেন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৮ মে তাকে দিয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলার ব্যুরো বাংলাদেশ সমিতি থেকে এক লাখ টাকা তুলে নেন স্বামী পারভেজ হোসেন নিয়ামত এবং সে নিজেই জামিনদার হোন। এছাড়া কিস্তির সকল টাকা তাঁর স্বামী দেওয়ার অঙ্গিকার করেন।
তিনি বলেন- ‘টাকা উঠিয়ে দেওয়ার পর থেকে আচরণ বদলে যায়, মাত্র ২৫ হাজার টাকা কিস্তি পরিশোধ করার পর কিস্তি দেওয়া বন্ধ করে দেয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তাঁর স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে কিন্তু আমাকে মিথ্যা কথা বলে বিয়ে করেছিল। একপর্যায়ে আমাদের পুত্র সন্তানের জন্ম হলেও খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়। এতে আমি আরও মানসিক চাপে পড়ে যাই।’
তিনি আরও বলেন- কিস্তির টাকা পরিশোধের জন্য তাকে আটকে রাখা হলে শালিসের টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং ৮০ হাজার টাকার একটি চেক দিয়ে যায়। পরে ওই চেক নিয়ে টাকা তুলতে গিয়ে দেখি তাঁর অ্যাকাউন্টেও টাকা নাই। এরপর আমি আদালতে যৌতুক মামলা করলে আমার সাথে আপোষ মীমাংসা করার কথা জানায় এবং সন্তানের দিকে তাকিয়ে সব মেনে নিই। এরপর আবারও আমাদের একটি কন্যা গর্ভে আসে।
কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসায় এবং দলীয় পদ পেয়ে পুরোপুরি তাঁর আচরণও পাল্টে যেতে শুরু করে। তখন কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে বললে নানাভাবে আমাকে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে ওই সমিতির কর্তৃপক্ষ আমার নামে অর্থঋণের মামলা দায়ের করে। মামলার বিষয়েও জানালে কোনো গুরুত্ব না দিয়ে আমার সাথে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।’
এ সময় তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ের অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্যমতে, এই বিএনপি নেতা তিনটি বিয়ে করেছেন। তাঁর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করেছেন। এছাড়া এই বিএনপি নেতার বাবা ভ্যানচালক হলেও বর্তমানে বাড়িতে দ্বিতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করছেন বলে অভিযোগ করেন।
অর্থঋণের মামলা থেকে ও স্বামীর প্রতারণা থেকে মুক্তির দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন- আমার স্বামী সমিতির টাকা পরিশোধ করে দিলে আমি মামলা থেকে মুক্তি পাব। তা-না হলে ছোট ছোট দুই সন্তান নিয়ে বিপদে পড়ে যাব। আমি এই মামলা থেকে বাঁচতে চাই।’
এসব অভিযোগের বিষয়ে অস্বীকার করেন বিএনপি নেতা পারভেজ হোসেন নিয়ামত। এমনকি দুই সন্তান তাঁর না বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ওর সাথে সম্পর্ক থাকাকালীন আমার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয় এবং বাধ্য হয়ে বিয়ে করেছিলাম। কিন্তু ওর সাথে আমি থাকি নাই; ও বলে ওই দুই বাঁচ্চা আমার কিন্তু আমি জানি আমার না। এছাড়া কিস্তির টাকা তুলে আমাকে দেয়নি। ওই টাকা তোলার সময় কৌশলে আমাকে জামিনদার করা হয়েছিল। নতুন করে টাকা আদায়ের জন্য আমার নামে ষড়যন্ত্র করছে।’
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান বিশ্বাস বলেন- ‘আমার কমিটির কারও নৈতিক স্খলন ঘটলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। কিন্তু এখানে ঘটনা ভিন্ন। এ বিষয়ে ৬ মাস আগে আদালতের রায়ে দেনমোহর ও সন্তানদের ভরণপোষণ বাবদ প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকা করে চার লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। হয়তো এই টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীই তাকে কাছে নেওয়ার জন্য এই ঝামেলা করছে।’
এদিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যুরো বাংলাদেশ সমিতির ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার তুহিন হাবিব। তিনি বলেন- ‘আমরা মূলত নারীদের ঋণ দিয়ে থাকি, সেক্ষেত্রে স্বামী প্রথম জামিনদার থাকেন। এছাড়া ঋণখেলাপী হলে মামলা ঋণগ্রহীতার নামেই হবে। এক্ষেত্রে স্ত্রীর নামেই হয়েছে। এখন স্বামী-স্ত্রী সমঝোতা করে মামলা মিটাবে।’

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সালথায় প্রস্তুতি সভা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সালথায় প্রস্তুতি সভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ফরিদপুরের সালথায় উপজেলা যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সালথা উপজেলা বাইপাস সড়ক-সংলগ্ন এলাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাসান আশরাফের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব এনায়েত হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, মিরান হোসেন, মাহফুজুর রহমান, শাফিকুল ইসলাম, খোকন মাতব্বর, মতিয়ার রহমান ও হাবিবুর রহমান হাবিব।
এ ছাড়া নবগঠিত কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ, মামুন হোসেন, তারিকুর রহমান সম্রাট, জুয়েল লস্কর, হায়দার আলী, রিপন মাতব্বর, শিমুল মিয়া, আখের আলী, নুরুল ইসলাম মাতুব্বর, রাজিব মোল্লা ও শাজাহান শরীফসহ উপজেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
সভায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্‌যাপন এবং কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সদরপুরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগ, দুই নারী গ্রেপ্তার

সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগ, দুই নারী গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সদরপুরে এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে ফাঁদে ফেলে আটকে রেখে মারধর ও ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সদর ইউনিয়নের কদমতলা এলাকার খাদিজাতুল কোবরা মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অঞ্জনা আক্তার (২৫) ও মালা আক্তার (১৯)।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইব্রাহীম খান (২৮) অভিযোগ করেন, পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০ অক্টোবর রাতে অঞ্জনার ডাকে ওই কক্ষে গেলে তাঁকে আটকে রাখা হয়। পরে অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ আরও কয়েকজন সেখানে এসে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় তাঁর মোবাইল ফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আরও দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখার পর তিনি কৌশলে এক আত্মীয়কে বিষয়টি জানান।
ওই আত্মীয়ের মাধ্যমে খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে। এ সময় অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ অন্যরা পালিয়ে গেলেও দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় ইব্রাহীম খান বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে অঞ্জনা আক্তার, তাঁর স্বামী সুমন ও মালা আক্তারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন।
সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই নারীকে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। অন্য জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: আলফাডাঙ্গায় পূজামণ্ডপে দুই মেয়র প্রার্থী, দিলেন নগদ অর্থ সহায়তা

নয়ন শেখ, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: আলফাডাঙ্গায় পূজামণ্ডপে দুই মেয়র প্রার্থী, দিলেন নগদ অর্থ সহায়তা

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিএনপির দুই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস ও হাসিবুল হাসান হাসিব।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তাঁরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপের আয়োজকদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
পরিদর্শনকারী দুই মেয়র প্রার্থী হলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস এবং আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান হাসিব। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র প্রার্থী হিসেবে তাঁদের এ কার্যক্রম স্থানীয়ভাবে গুরুত্ব বহন করছে।
পরিদর্শনকালে তাঁরা পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ ও পূজার আয়োজন ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপের আয়োজক, কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তাঁরা শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দুর্গোৎসবকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই মেয়র প্রার্থী। তাঁরা বলেন, ধর্মীয় উৎসব সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি করে। সব ধর্মের মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
এ সময় বিভিন্ন পূজামণ্ডপের আয়োজকদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। এতে পূজার আয়োজন পরিচালনায় আয়োজকদের প্রতি সহযোগিতার মনোভাবের পাশাপাশি উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করার বার্তা উঠে আসে।
দুই মেয়র প্রার্থীর এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ পূজামণ্ডপের আয়োজকরা উপস্থিত ছিলেন।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে তাঁদের এ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।