শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ

দৈনিক ফতেহাবাদ ডেস্ক: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ
google news দৈনিক দৈনিক ফতেহাবাদ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহকে ‘জাতীয় অধ্যাপক’ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরের জন্য তাকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। বাংলাদেশ জাতীয় অধ্যাপক নীতিমালা অনুযায়ী গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই পদে থাকাকালীন মাহবুব উল্লাহ জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ এর প্রেড-১ অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। তবে তিনি সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না ফতেহাবাদ ডেস্ক রিপোর্ট।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ড. মাহবুব উল্লাহ ইচ্ছানুযায়ী কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজের পছন্দমতো ক্ষেত্রে গবেষণামূলক কাজ করতে পারবেন। তবে যে ক্ষেত্রে কাজ করবেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জানাতে হবে। যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন সে প্রতিষ্ঠানের কাছে তিনি শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজের বার্ষিক প্রতিবেদন দেবেন। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে তার কাজের অপ্রগতি সম্পর্কে জানাবে।
জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন ড. মাহবুব উল্লাহ যেসব বই-পুস্তক ছাপানো হবে, তা থেকে পাওয়া সব সুযোগ-সুবিধা তিনি নিতে পারবেন। তিনি সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তিনি অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না, করলে এই চাকরি থেকে কোনো বেতন বা আর্থিক সুবিধা নিতে পারবেন না।
জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার আমাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে আজ (সোমবার) নিয়োগ দিয়েছে। এর ফলে আমি আরও বেশি করে জ্ঞানচর্চা করতে পারব। আমাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। আমি তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।’
মাহবুব উল্লাহর জন্ম ১৯৪৫ সালের ৯ ডিসেম্বর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের তিতাহাজরা গ্রামে। তিনি বৈচিত্র্যময় বর্ণাঢ্য জীবনের মানুষ। কর্মজীবন সক্রিয় রাজনীতি থেকে অধ্যাপনা ও গবেষণা পর্যন্ত বিস্তৃত। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের বিপ্লবী নেতা। ১৯৭০-এর ২২ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলার কর্মসূচি উত্থাপনের অপরাধে ইয়াহিয়ার সামরিক আদালতে কারাদন্ডে দন্ডিত হয়ে দীর্ঘ ২২ মাস কারান্তরালে অন্তরীণ থাকার পর ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা তাকে কারামুক্ত করেন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মওলানা ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, আতাউর রহমান খান, হাজী মোহাম্মদ দানেশ, মোহাম্মদ তোয়াহা, কমরেড আবদুল হক, কমরেড সুখেন্দু দস্তিদার, কমরেড দেবেন সিকদারের সাহচর্যে আসেন।
১৯৭২ সালে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্রজীবন থেকেই ইংরেজি ও বাংলা সংবাদপত্রে লেখালেখি করে আসছেন। জাতীয়তাবাদী চিন্তা-ভাবনার আর্থ-সামাজিক, ঐতিহাসিক ও দার্শনিক ভিত্তি নির্মাণ তার সাম্প্রতিক লেখালেখির মূল উপজীব্য। ১৯৭৬ থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। ২০০৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে নিয়োজিত থেকে অবসরে যান। পরবর্তী সময়ে ওই বিভাগের প্রফসর ও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি রাজস্ব সংস্কার কমিশনের সদস্য ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রো-ভিসির দায়িত্ব পালন করেছেন। অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রির অধিকারী প্রফেসর মাহবুব উরøাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় ও জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সংস্থায় গবেষণামূলক কাজ করেছেন। বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় রচিত তার ১৩টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া দেশ-বিদেশে তার গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের উদ্যোগে সমাজসেবক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় শহরের কোট পাড় ‘ ল কেয়ার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েট’ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। কোরআন তেলাওয়াত করেন ইমারত হোসেন চৌধুরীর নাতি রাফিদ চৌধুরী।
স্মরণসভায় বক্তারা মরহুমের কর্মময় জীবনের ওপর আলোকপাত করে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরী মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ১৯৭১ সালে ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সদালাপী, হাসিমুখে কথা বলা ও বন্ধুসুলভ একজন মানুষ ছিলেন। ফুলসতি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া এই কৃতি সন্তান আজীবন সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তিনি অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন এবং শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও কখনো জামায়াতে নামাজ আদায় করা মিস করতেন না।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচারণ করে ফুলসুতি কমিউনিটি অব ফরিদপুরের প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু বলেন, “ইমারত হোসেন চৌধুরী কেবল একজন দেশপ্রেমিক যোদ্ধাই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন সমাজ পরিবর্তনের একজন কারিগর। তাঁর সততা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা আমাদের চিরকাল অনুপ্রাণিত করবে।”
ফুলসুতি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন লেখক, গবেষক প্রবীণসাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান চৌধিুরী ভাদু, । এ সময় মফিজ ইমাম মিলন, ,দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, , জি. এইচ লাভলু পাটোয়ারী, নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।
মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক প্রধান উপদেষ্টা বদিউজ্জামান ভাদু, তৈবুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সাবু, আ. স. ম. জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী টিটো, মফিজ ইমাম মিলন, লাভলু পাটোয়ারী জি. এইচ., নিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, রুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ওয়াসিম, চৌধুরী সাজেদুস, মোহাম্মদ লিটু চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহাম্মদ হাসান।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমারত হোসেন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিলটি পরিচালনা করেন হাফেজ, মাওলানা তৈয়বুর রহমান ।

“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
“ট্রাকের নিচে চাপায় মা-ছেলে নিহত, এর আগে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে চারজনের” ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরল ৬ প্রাণ

একদিকে বালুবাহী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা ও শিশুসন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যু, অন্যদিকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় চারজনের প্রাণহানি। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে ফরিদপুরের একই মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল ছয়টি প্রাণ।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। একই দিনে পরপর প্রাণহানির ঘটনায় সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেতুলতলা এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন, মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের সুমি বেগম (৩২) ও তাঁর ৭ বছরের ছেলে শাওন। এ ঘটনায় সুমি বেগমের স্বামী পলাশ (৩৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহর থেকে একটি বালুবাহী ট্রাক কানাইপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটির চাকা বিস্ফোরিত হয়ে সেটি মহাসড়কের ওপর উল্টে পড়ে। এ সময় সামনে থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকটির নিচে চাপা পড়ে। দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারটির একাংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।
অন্যদিকে ইজিবাইকটি বালু ও ট্রাকের নিচে পুরোপুরি চাপা পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বালু সরিয়ে ইজিবাইক থেকে তিনজনকে এবং ক্রেনের সাহায্যে ট্রাক সরিয়ে প্রাইভেটকার থেকে একজনকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁদের ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক সুমি বেগম ও তাঁর ছেলে শাওনকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুহূর্তের মধ্যে ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গুরুতর আহত পলাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপর দুর্ঘটনায় বাসের কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার আড়কান্দি সেতু-সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী কিং ফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মাগুরাগামী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রথমে তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের একজনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় চারজনে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সে সাতজনের একটি দল ছিল। তাঁরা ‘ভলেন্টিয়ার বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভায় অংশ নিতে ফরিদপুরে এসেছিলেন। সভা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাগুরায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তাঁরা।
নিহতদের মধ্যে রাব্বি (২১) নামের একজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে সাগর বিশ্বাস (২২) ও রিয়া (২১) রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁরা মাগুরা সদর উপজেলার বাসিন্দা।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাঁদের একজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে প্রথমে তিনজন ও শুনেছি পরে আরো একজন ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছে। এছাড়া প্রায় এক ঘন্টা পরে একই মহাসড়কে কানাইপুর তেতুলতলা নামকস্থানে একটি প্রাইভেটকার ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মা-ছেলে নিহত হয়েছে। দুই ঘটনার নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শোক সংবাদ বাউল শিল্পী শাহাদাত হোসেনের ইন্তেকাল

দৈনিক ফতেহাবাদ রিপোর্ট: প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
শোক সংবাদ  বাউল শিল্পী শাহাদাত হোসেনের ইন্তেকাল

ফরিদপুর সদর উপজেলার ডিগ্রীচর ইউনিয়নের চরটেপাখোলা পাল ডাংগি নিবাসী বিশিষ্ট বাউল শিল্পী শাহাদাত হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর । মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী এক ছেলে দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন । বাউল শিল্পী শাহাদাত হোসেন শ্বাস জনিত ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শুক্রবার সকাল ৬ টায় ইন্তেকাল করেন । মরহুমের নামাজে জানাজা আজ শুক্রবার জুম্মা বাদ শহরের রেল স্টেশন (মাস্টার কলোনি) জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে । পরে তাকে ডিগ্রী চর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর পাড়ে শামসু্দোহা ফাউন্ডেশন গোরস্থানে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়ালসহ সাংস্কৃতি অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ।
এক শোক বিবৃতিতে তারা মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।