প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

নদীভাঙ্গনের খবর পেয়ে চর আজমপুরে ছুটে গেলেন হাসিবুল হাসান হাসিব

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ৪ নং টগরবন্দ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চর আজমপুর এলাকায় নদীভাঙ্গনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান হাসিব।
মঙ্গলবার(৮ই সেপ্টেম্বর) ২০২৬ ইং বিকালে
স্থানীয়দের কাছ থেকে নদীভাঙ্গনের পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত চর আজমপুর এলাকায় ছুটে যান। সেখানে গিয়ে নদীতীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ভাঙ্গনের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় দেখা যায়, নদীর পানির স্রোতে তীরবর্তী অংশের মাটি সরে গিয়ে পাড়ের বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙ্গনের কারণে নদীর তীরবর্তী সড়ক ও চলাচলের পথও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, নদীর পানি ও স্রোতের তীব্রতা বাড়তে থাকলে ভাঙ্গন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও স্থানীয় বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।
পরিদর্শনকালে হাসিবুল হাসান হাসিব স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে ভাঙ্গন পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি নদীভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন বিষয়টি নিয়ে আমি খুব শীঘ্রই উপর মহলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবো। যাতে করে শীঘ্রই নদী বাধের কাজ সম্পূর্ণ হয়।
পরিদর্শন কালে আরো বক্তব্য দেন ৮নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান খাজা,তিনি বলেন,ইতোমধ্যে জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। তবে কাজের পদ্ধতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে। তাদের দাবি, একসঙ্গে একশোটি বা দেড়শোটি জিওব্যাগ ফেলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে ভাঙ্গনস্থলের কাছাকাছি থেকে বালু ভরাট করে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত জিওব্যাগ নদীতীরে ফেলা হোক।
নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন কালে আরো উপস্তিত ছিলেন পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবু সালে মুসা, সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহোযোগি সংগঠনের নেতা কর্মীরা।
স্থানীয়দের দাবি, নদীভাঙ্গন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
চর আজমপুরের নদীভাঙ্গন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ ও উদ্বেগের বিষয়টি সামনে এসেছে। এখন দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগের অপেক্ষায় এলাকাবাসী।

কপিরাইট © দৈনিক ফতেহাবাদ সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন